Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
TMC MLAs in Nabanna

নবান্নে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে ‘দুই’ তৃণমূলই! বিদ্রোহীদের পাশাপাশি গেলেন কুণাল-ববি-নয়নারাও

গত ১৫ বছরে রাজ্যে যা দেখা যায়নি পালাবদলের একমাসের মধ্যে সেটা হয়ে গেল। রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী শিবিরের বিধায়করাও সমবেত হয়ে হাজির হলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ১৬:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
নবান্নে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে ‘দুই’ তৃণমূলই! বিদ্রোহীদের পাশাপাশি গেলেন কুণাল-ববি-নয়নারাও zoom
ছবি প্রতীকী।

একদিন আগে তাঁদের একপক্ষ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনায়। আর এক পক্ষ অন্তরালে থেকে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণার ছক কষছিল। বুধবার তৃণমূলের সেই দুই ‘শিবির’ কোথাও যেন মিলে গেল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন ‘বিদ্রোহী’ এবং ‘মমতাপন্থী’ দুই তৃণমূলই।

বুধবার কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রশাসনিক বৈঠক চলছে নবান্নের সভাঘরে। আগের জমানার রীতির উলটো পথে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী শিবিরের বিধায়কদেরও আমন্ত্রণ জানান ওই বৈঠকে। ঋতব্রতের নেতৃত্ব যে বিক্ষুব্ধ শিবির এই মুহূর্তে নতুন তৃণমূল ব্লক বলে দাবি করছে, সেই বিক্ষুব্ধ শিবির যে আজকের বৈঠকে যাবে সেটা আগে থেকেই জানা ছিল। ঋতব্রত মঙ্গলবারই জানিয়ে দেন, ওই জেলাগুলির তৃণমূল বিধায়করা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেবেন। সেই মতো আজ বিধানসভায় ‘বিদ্রোহ’ পর্ব সেরে নিয়ে নবান্নে যান বিক্ষুব্ধ শিবিরের ৫৮ জন বিধায়কই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এতদূর পর্যন্ত সবটা প্রত্যাশিত ছিল। আসল টুইস্ট শুরু এরপর। দেখা যায়, আগের দিন যে বিধায়করা মমতার ধরনায় উপস্থিত ছিলেন, বা এখনও পর্যন্ত যে সব বিধায়ক সরাসরি বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেননি, সেই বিধায়করাও একে একে নবান্নে আসা শুরু করেন। প্রথমে দেখা যায় কুণাল ঘোষকে, তারপর একে একে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমরাও গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে। অর্থাৎ মহাভাঙন পর্বেও যারা মমতার সঙ্গে ছিলেন, অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত তাঁরাও বিদ্রোহীদের মতোই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে হাজির। যদি ধরে নেওয়া যায়, তৃণমূল দুই শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে, তাহলে দুই শিবিরই আজ প্রশাসনিক বৈঠকে।

ঋতব্রতপন্থীরা বৈঠকে যাবেন প্রত্যাশিত ছিল, কিন্তু কুণালরা কেন গেলেন? নেত্রীর নির্দেশে নাকি নিজস্ব বিবেকের যুক্তিতে? সেটা অবশ্য স্পষ্ট নয়। নবান্নে ঢোকার সময় কুণাল সংক্ষেপে বললেন, “আমি একজন নির্বাচিত বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক ডেকেছেন। তাই বিরোধী দলের একজন বিধায়ক হিসাবে এসেছি।” কারণ যাই হোক, গত ১৫ বছরে রাজ্যে যা দেখা যায়নি পালাবদলের একমাসের মধ্যে সেটা দেখা তো গেল। রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী শিবিরের বিধায়করাও সমবেত হয়ে হাজির হলেন। সেটাই বা কম কী!

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.