Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
TMC

বরোয় অভিষেকের ‘বেআইনি’ বাড়ি! ‘চাপের মুখে’ দলকে বিঁধে ইস্তফা ফিরহাদ-ঘনিষ্ঠ চেয়ারম্যান দেবলীনার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দু'টি বাড়ি সম্পর্কে তথ্য চেয়েছে কলকাতা পুরসভা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি শান্তিনিকেতনের কিছু অংশ কি ভাঙা পড়বে? সেই চর্চাও শুরু হয়েছে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ২০:৩১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ২০:৩১

options
link
বরোয় অভিষেকের ‘বেআইনি’ বাড়ি! ‘চাপের মুখে’ দলকে বিঁধে ইস্তফা ফিরহাদ-ঘনিষ্ঠ চেয়ারম্যান দেবলীনার zoom
ইস্তফা ফিরহাদ-ঘনিষ্ঠ চেয়ারম্যান দেবলীনার।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দু’টি বাড়ি সম্পর্কে তথ্য চেয়েছে কলকাতা পুরসভা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি শান্তিনিকেতনের কিছু অংশ কি ভাঙা পড়বে? সেই চর্চাও শুরু হয়েছে। সেই আবহেই এবার কলকাতা পুরসভার বড়ো চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস! রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে তিনি ৯ নম্বর বরো চেয়ারপার্সনের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন! এমন কথা শোনা গিয়েছে। তবে অন্দরের খবর, তৃণমূলের তরফ থেকে তাঁর উপর চাপ আসছিল! অভিষেকের সম্পত্তি তাঁর বরো এলাকার মধ্যে রয়েছে। তাহলে সেই কারণেই দলের তরফে তাঁর উপর চাপ দেওয়া হচ্ছিল? সেই প্রশ্ন সামনে আসছে।

অন্দরের খবর, তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের অনুগামী। পুরসভার তরফ থেকে অভিষেককে দেওয়া ওই নোটিস সম্পর্কে ফিরহাদ হাকিমও ওয়াকিবহাল ছিলেন না। এমনই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এই অবস্থায় দেবলীনার পদ ছাড়তে চাওয়া যথেষ্ঠ ইঙ্গিতপূর্ণ। এদিন হাতে লেখা ওই ইস্তফাপত্র মালা রায়কে তিনি পাঠিয়েছিলেন। তবে মালা রায় অফিসে না থাকায় সেই ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়নি বলেই খবর। 

Advertisement

অন্দরের খবর, তৃণমূল কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের অনুগামী। পুরসভার তরফ থেকে অভিষেককে দেওয়া ওই নোটিস সম্পর্কে ফিরহাদ হাকিমও ওয়াকিবহাল ছিলেন না। এমনই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত? এই প্রসঙ্গে দেবলীনা বিশ্বাস জানিয়েছেন, দলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত। এতদিন ওই চেয়ারে বসে কাজ করেছেন। কিন্তু এখন সমস্যা হচ্ছে। সেই কারণেই মালা সাহাকে ইস্তফাপত্র পাঠানো হয়েছে। “বরো চেয়ারপার্সনের পদ ছাড়তে চাইলেও কাউন্সিলর থাকব”, সেই কথা জানিয়েছেন দেবলীনা। প্রশ্ন উঠেছে, কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। সেই নোটিস নিয়েই কি দলের কোনও অংশের তরফে বরো চেয়ারপার্সনের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছিল? সেজন্য পদ থেকে সরে যাওয়াকেই বেছে নিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর? যদিও সেই বিষয়ে কথা বলতে চাননি তিনি। তবে দলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে, হাওয়ায় গুঞ্জনও ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

কলকাতা পুরসভার নজরে অভিষেকের মোট ১৭টি সম্পত্তি রয়েছে! হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১২১ কালীঘাট রোডে রয়েছে বাড়ি। যদিও সেটা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। যদিও কালীঘাট রোডের ওই বাড়ি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এছাড়াও একাধিক সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। সেই নিয়েই শুরু হয়েছে চর্চা। জানা গিয়েছে, অভিষেকের ওই সম্পত্তির বেশ কিছু দেবলীনার এলাকার মধ্যে পড়ে। তাহলে কি সেসব সম্পত্তি নিয়ে কলকাতা পুরসভার গতিবিধি যাতে না বাড়ে, সেজন্যই দেবলীনাকে দলের অন্দরে চাপ বাড়ানো শুরু হয়েছিল? সেই চর্চা চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.