Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Sukanta Majumdar

‘যাঁরা জিততে পারবে তাঁরাই টিকিট পাবেন’, পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে ‘ছুঁতমার্গ’ নেই সুকান্তর!

চলতি বছরের শেষে কলকাতা ও হাওড়ায় পুরনির্বাচন, কলকাতার দায়িত্বে বিজেপির সুকান্ত মজুমদার।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৬:১৩

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১৬:১৩

options
link
‘যাঁরা জিততে পারবে তাঁরাই টিকিট পাবেন’, পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে ‘ছুঁতমার্গ’ নেই সুকান্তর! zoom
কলকাতা পুরভোটের প্রার্থী নিয়ে প্রতিক্রিয়া বিজেপির নির্বাচনী ইনচার্জ সুকান্ত মজুমদারের। ফাইল চিত্র
Advertisement

হাতে সময় কম। তার মধ্যেই কাজ হাসিল করতে হবে। কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগম দখলকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে রাজ্যের নতুন শাসকদল। আর সেই কাজে সফল হতে প্রার্থী বাছাইয়ে কোনও ‘ছুঁতমার্গ’ থাকলে হবে না। যিনি পুরভোটে জেতার ক্ষমতা রাখেন, তাঁকেই টিকিট দেবে বিজেপি। সাফ এমন কথা জানিয়ে দিলেন পুরভোটে কলকাতার ইনচার্জ তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রবিবার তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানালেন, ‘‘যাঁরা ভোটে জিততে পারবে, তাঁরাই টিকিট পাবে। সেক্ষেত্রে তাঁদের জনপ্রিয়তা, পরিচিতি, কাজকর্ম সব খতিয়ে দেখা হবে।”

দুর্গাপুজো মিটলেই কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমে ভোট। দুই জায়গার নির্বাচনী ইনচার্জ নিয়োগ করেছে বিজেপি। কলকাতায় সুকান্ত মজুমদার ও হাওড়ায় রাজ্যসভার সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির আরেক প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা ইনচার্জের দায়িত্বে। ভোট প্রস্তুতিতে কোমর বেঁধে নেমেছেন তাঁরা। ঘনঘন বৈঠক, সভা, জনসংযোগ চলছে।

Advertisement

কলকাতার ইনচার্জ সুকান্ত মজুমদারের সাফ কথা, ‘‘কে দলের সঙ্গে কতদিন ধরে যুক্ত, কে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সেসব এখানে বিচার্য নয়। সেটা সংগঠনের কোনও পদের ক্ষেত্রে বিবেচ্য। ভোটের জন্য দেখা হবে একটাই বিষয়। যিনি জিততে পারবেন, তিনিই টিকিট পাবেন। সেসব ব্যক্তিদের আদৌ জেতার চান্স কতটা, তাঁদের জনপ্রিয়তা কত – এসবই ভালোভাবে খতিয়ে দেখে তবে ঠিক হবে প্রার্থী।”

রবিবার এনিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কলকাতার ইনচার্জ সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সাফ কথা, ‘‘কে দলের সঙ্গে কতদিন ধরে যুক্ত, কে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সেসব এখানে বিচার্য নয়। সেটা সংগঠনের কোনও পদের ক্ষেত্রে বিবেচ্য। ভোটের জন্য দেখা হবে একটাই বিষয়। যিনি জিততে পারবেন, তিনিই টিকিট পাবেন। সেসব ব্যক্তিদের আদৌ জেতার চান্স কতটা, তাঁদের জনপ্রিয়তা কত – এসবই ভালোভাবে খতিয়ে দেখে তবে ঠিক হবে প্রার্থী।” তবে কি ‘নব্য’ বিজেপিদেরও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে সুকান্ত বলেন, ‘‘সেসব কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আর নব্য বিজেপি কারা? কাউকে তো বিজেপি যোগদান করায়নি। কেউ যদি নিজেকে এখন বিজেপি নেতা মনে করে, তাহলে তো কিছু করার নেই।”

অঙ্ক বলছে, কলকাতা পুরসভায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের জেরে ২০৯ টি ওয়ার্ড হবে। সেই হিসেবে বিজেপিকে পুরসভার ক্ষমতা দখল করতে গেলে ১০৫টি আসন পেতে হবে। এই মুহূর্তে তাদের রাজনৈতিক শক্তি যা, তাতে এই অঙ্ক মেলানো খুব সহজ নয়। বাস্তবে সবকটি আসনে লড়ার জন্য প্রার্থী দিতে গেলে বাছবিচার করলে সত্যিই হবে না। সেই বাস্তবতা গ্রহণ করেই সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.