Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
তারাতলা বিভীষিকা
Taratala Factory Collapse

‘আর্তনাদ শুনে রিল বানাচ্ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ‘হৃদয়হীন’দের গল্প শোনালেন মৃত্যুঞ্জয়ী

'তিনতলার ঢালাই আগে হচ্ছিল, এমনভাবে নির্মাণকাজ আগে দেখিনি', বলছেন মানিক চাঁদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৪:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৪:৩৫

options
link
‘আর্তনাদ শুনে রিল বানাচ্ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ‘হৃদয়হীন’দের গল্প শোনালেন মৃত্যুঞ্জয়ী zoom
'আর্তনাদ শুনে রিল বানাচ্ছিল', তারাতলা কাণ্ডে 'হৃদয়হীন'দের গল্প শোনালেন মৃত্যুঞ্জয়ী

তারাতলা কাণ্ডের (Taratala Factory Collapse) পর পেরিয়েছে প্রায় ৭২ ঘণ্টা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ির পথে। তাঁদেরই একজন মানিক চাঁদ। গোডাউন বিপর্যয়ের সময় সেখানেই কাজ করছিলেন যুবক। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বুধবার দুপুরের হাড়হিম করা কাহিনী শোনালেন তিনি। তাঁর মুখে শোনা গেল একদল ‘হৃদয়হীন’দের গল্প। মানিক বলেন, “উপরের দিকে তাকালাম, তারপর একেবারে নিচে। আটকে পড়ে যখন চিৎকার করছি বাঁচার জন্য তখন এলাকার একাংশ উদ্ধারের চেষ্টা না করে রিল বানাচ্ছিল!” বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সকলের কাছেই রিল যে একটা আসক্তি যে মানবিকতাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে, তা ফের প্রমাণ করে দিল তারাতলার ঘটনা। 

Worker speaks on the Taratala factory collapse
তারাতলার ‘তাসের ঘরে’ ত্রাতা সেনাই। ছবি: অমিত মৌলিক

পেটের তাগিদে মানিক চাঁদরা ৩ ভাই নির্মাণ শ্রমিকের কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তারাতলার ওই অভিশপ্ত গোডাউনে কাজ করছিলেন সকলেই। বুধবার বিপর্যয়ের সময় সেখানেই ছিলেন তাঁরা। মানিক চাঁদ বলেন, “আমরা প্রায় ৪০-৪৫ জন ছিলাম। তিনতলায় ঢালাইয়ের কাজ হচ্ছিল। উপর দিকে তাকালাম, তারপর হুড়মুড় করে সবাই নিচে। বুঝতে পারলাম আটকে পড়েছি। চিৎকার করছিলাম বাঁচার জন্য। কেউ যদি এসে উদ্ধার করে…। বেরনোর চেষ্টা শুরু করি, শুধু ভেবেছি বেরতেই হবে। এলাকার কিছু লোকজন সঙ্গে সঙ্গে এসেছিল তবে তাঁরা কেউ প্রথমে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেনি, রিল বানাচ্ছিল। এরপর কিছু লোক এসে যাঁদের হাত বেরিয়েছিল দেখতে পেয়ে টেনে বের করেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Worker recounts the Taratala factory collapse
তারাতলা বিপর্যয়স্থলে এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। নিজস্ব চিত্র

ইতিমধ্যেই তারাতলার নির্মাণে একাধিক ত্রুটির অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। নির্মাণ সংস্থা ও আর্কিটেক্টকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে সরকার। শনিবার মানিক চাঁদও নির্মাণ কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। তিনি বলেন, “প্রথমে তিনতলার ঢালাই হচ্ছিল। এরকমভাবে কোথাও কাজ হয় না। এরকম নির্মাণ কাজ দেখিনি।” কিন্তু শ্রমিকদের কিছুই করার ছিল না। মানিক চাঁদের কথায়, “নির্দেশ মেনে কাজ তো করতে হবে, কারণ এটা পেটের বিষয়। উপার্জন না হলে খাব কী!” তবে শুধু মানিক একা নন, হাসপাতালে থাকা বহু শ্রমিকের মুখেই শোনা যাচ্ছে নির্মাণে বেনিয়মের কথা। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.