Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Tapas Roy

সিঙ্গুরে শিল্প এত সহজ নয়! মমতা জমানার ‘খানাখন্দ’ পেরিয়েও শিল্পে ডবল ইঞ্জিন, নকশা বাতলালেন তাপস

আগামী ১১ আগস্ট নবান্নে শিল্প বৈঠকের আগে রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৬:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৬:৫০

options
link
সিঙ্গুরে শিল্প এত সহজ নয়! মমতা জমানার ‘খানাখন্দ’ পেরিয়েও শিল্পে ডবল ইঞ্জিন, নকশা বাতলালেন তাপস zoom
তাপস রায়। ফাইল ছবি
Advertisement

১৫ বছরের শিল্পখরা কাটিয়ে বাংলায় শিল্প আসবে। সিঙ্গুরেও ফের হবে শিল্প। তবে কিছুটা সময় লাগবে। আগামী ১১ আগস্ট নবান্নে শিল্প বৈঠকের আগে রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়।

টাটা বা কুমারমঙ্গলম বিড়লারা শুধু নয়, রাজ্য থেকে ৬৬৮৮টি ছোট-বড় সংস্থা বাংলা ছেড়ে গিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিগত বাম ও তৃণমূল সরকারের দিকেই নিশানা করেন শিল্পমন্ত্রী। টাটারা সিঙ্গুরে কারখানা খুলতে বাধা পাওয়ায় রাজ্যকে সুদ-সহ ৭৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে। যা রাজ্যের ঘাড়ে নিঃসন্দেহে বড় বোঝা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে শিল্প আনতে কিছু বাধাবিপত্তি রয়েছে। সে সমস্ত বাধা কাটানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, ১৫ আগস্টের মধ্যে শিল্পনীতি, জমিনীতির প্রাথমিক খসড়া তৈরি হয়ে হবে। কী হবে চূড়ান্ত জমিনীতি? তা স্থির করতে আগামী মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট নবান্নে জরুরি বৈঠক ডাকলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। সমস্ত অংশীদারদের তাতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

শুধু জমিনীতি স্থিরই নয়, আবার তার উপর যাঁরা বিনিয়োগের ইচ্ছাপ্রকাশ করছেন তাঁদের প্রস্তাব খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ওই বিনিয়োগকারী ঠিক কীরকম শিল্প তৈরি করতে চলেছেন, ওই শিল্পের মাধ্যমে কতজনের কর্মসংস্থান হবে, তার সঙ্গে আদৌ কোনও অনুসারী শিল্প হওয়া সম্ভব কিনা – সবকিছু খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তবে ইতিমধ্যেই রাজ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে বহু। গত জুনেই যেমন মিৎসুবিশি বাংলায় বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছি। রাজ্য সরকারের তরফে কী কী সুযোগসুবিধা দেওয়া হবে, সে প্রশ্নও করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী সংস্থাকে অনুকূল পরিবেশ দিতে শিল্পনীতিতে ইনসেন্টিভ পলিসিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শিল্পপতিরা যাতে ওড়িশা, গুজরাট, মহারাষ্ট্রের মতো জমি, কর, বিদ্যুৎ এবং আর্থিক সুবিধার সমন্বয়ে নতুন প্যাকেজ তৈরির উদ্যোগও শুরু হয়েছে বলেই খবর। আবার কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভারত ঔদ্যোগিক বিকাশ যোজনা’ বা ‘ভব্য’ স্কিমে রাজ্যকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তার ফলে আগামিদিনে বাংলায় যে শিল্পের জোয়ার আসতে চলেছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.