মনের ‘পাপ’ দূর করতে মানুষকে গীতা পড়ানো উচিত। গীতাপাঠে আধ্যাত্মিক জাগরণ সম্ভব। আর জি কর কাণ্ডের মতো ঘটনা থেকে বিরত করতে মানুষকে গীতা পড়াতে হবে। আদ্যাপীঠের মন্দিরে পুজো দিয়ে সেই বার্তাই দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।
আজ, বুধবার বেলা ১১টার কিছু আগে মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছে যান বেলঘরিয়ার আদ্যাপীঠের মন্দিরে। তাঁকে স্বাগত জানান আদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ ব্রহ্মচারী মুরাল ভাই। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রসাদী মালা পরিয়ে স্বাগতও জানানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন আশ্রমের আবাসিক ও পড়ুয়ারা। মন্দিরের মূল ফটক তৈরি হয়েছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী সেই ফটকের উদ্বোধন করেন। এছাড়াও আদ্যাপীঠের তরফে একটি অ্যাম্বুল্যান্স প্রদান হল। সেটিরও এদিন উদ্বোধন হল মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই।
আরও পড়ুন:
আদ্যাপীঠের গোশালাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গোমাতার সেবা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর মন্দিরে গিয়ে আদ্যা মায়ের পুজোও দেন তিনি। আরতিও করেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্বল্প ভাষণে আধ্যাত্মিক জাগরণের বার্তা দেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কলকাতা সাংস্কৃতিক পীঠস্থানের সঙ্গেই আধ্যাত্মিক রাজধানী। এই সরকার আধ্যাত্মিক জাগরণকে সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে। মানুষকে গেরুয়া রঙের মাহাত্ম্য বোঝাতে হবে। প্রত্যেকটা সনাতন প্রতিষ্ঠানের সেবার মানসিকতা রয়েছে।”
সনাতনী সংস্কৃতির কথাও শোনা গিয়েছে তাঁর কথায়। আদ্যাপীঠে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বন্দনা। এদিন শুভেন্দু বলেন, “অযোধ্যার মন্দিরের জন্য তিন লক্ষ মানুষ আত্মবলিদান দিয়েছেন। হিন্দুদের টাকায় তৈরি হয়েছে ওই মন্দির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মা-গঙ্গার সঙ্গে জুড়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরকে।” শুধু তাই নয়, আর জি কর কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে পাপকাজ থেকে বিরত রাখতে মানুষকে গীতা পড়ানোর বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। “গেরুয়া রং কোনও রাজনৈতিক রং নয়, এই রং কৃচ্ছ সাধনের।” সেই বার্তাও দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বাস্তবতা বদলানো যায় না’, এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদলে চিনকে পালটা জবাব ভারতের
-
দলের স্ট্র্যাটেজিতে হাত নেই, কাজ শুধু টিকিট বুকিং! ফেডারেশনকে বিঁধে বাজাজ বললেন, ‘শেম অন ইউ’
-
নেতাজির নামে বিধায়ক সেবা কেন্দ্র, বির্তকের মাঝেই বড় ঘোষণায় ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মুখ্যমন্ত্রীর
-
জাতীয় সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে সিকিমের একমাত্র মেয়ে, বাইচুং কন্যাই যেন শিবরাত্রির সলতে
-
আন্তর্জাতিক যুব দিবস: সাফল্যের দৌড়ে হাঁপিয়ে উঠছে তরুণ মন! কেন দরকার ‘ইমোশনাল সেফটি’?