Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Tram

লক্ষ্য বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা, এবার সল্টলেক-নিউটাউন-রাজারহাটেও চলবে ট্রাম! শুরু সমীক্ষা

সোমবার থেকে ট্রাম ফেরাতে সমীক্ষা শুরু করেছে রাইটস। পরিবহণ দপ্তরের তরফে সরকারিভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে রাইটস।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৪:৪৩

link
নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৪:৪৩

options
link
লক্ষ্য বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা, এবার সল্টলেক-নিউটাউন-রাজারহাটেও চলবে ট্রাম! শুরু সমীক্ষা zoom
কলকাতাজুড়ে ফের ছুটবে ট্রাম! নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কলকাতার রাস্তায় ট্রাম (Kolkata Tram) ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে। পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং একাধিকবার জানিয়েছেন, ট্রাম নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কলকাতা তো বটেই, সল্টলেক, নিউটাউন এবং রাজারহাটেও ট্রাম লাইন সম্প্রসারণের চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে রাইটসকে দিয়ে সমীক্ষার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

সোমবার থেকে ট্রাম ফেরাতে সমীক্ষা শুরু করল রাইটস। পরিবহণ দপ্তরের তরফে সরকারিভাবে দায়িত্ব দেওয়া হল এই সংস্থাকে। দু’মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে রাইটস। তারপরই পরিকল্পনা হবে কীভাবে ফের তিলোত্তমায় ছুটবে ট্রাম। পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, পুরো পরিকল্পনাই রাইটস কী রিপোর্ট দেয়, তার উপর নির্ভর করছে। কোন কোন রাস্তা ট্রাম চলাচলের পক্ষে উপযুক্ত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কয়েকটি ধাপে এই সমীক্ষার কাজ চলবে।

Advertisement

বর্তমানে কলকাতায় দু’টি রুটে ট্রাম চলে। বহু জায়গায় ট্রাম ভরাট করা হয়েছে। সেগুলি পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভবও নয়। ফলে অন্য উপায়ে কীভাবে শহরে ট্রাম চালানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। এ ছাড়াও, ট্রাম পরিষেবাকে সল্টলেক ও নিউটাউন পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

মন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যেও ট্রাম চালানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে সে ক্ষেত্রে লাইন কোথা দিয়ে যাবে, তা সমীক্ষা করে জানাবে রাইটস। তবে পুরনো যে ট্রাম বর্তমানে শহরে চলে, সেগুলিকে আর রাস্তায় নাও দেখা যেতে পারে। কারণ সেই ট্রাম খারাপ হলে তা সারাতে বেগ পেতে হচ্ছে পরিবহণ নিগমকে। পুরনো এই ট্রামের যন্ত্রাংশ এখন কোথাও পাওয়া যায় না। বাইরে থেকে আনাতে যা খরচ তা না করে সেই ট্রাম বসিয়ে দেওয়া হয়। এক আধিকারিকের কথায়, আগে হাওড়ার কয়েকটি দোকানে ট্রামের যন্ত্রাংশ পাওয়া যেত। একসময় সেখানে বিপুল বিক্রি ছিল। কিন্তু ট্রামের দিন শেষ হওয়ায় ওই দোকানগুলিও উঠে যায়। ফলে ট্রাম শহরে ফিরলেও তা ফিরবে নতুন চেহারায়, সে ব্যাপারে নিশ্চিত। দু’কামরা নাকি এক কামরার ট্রাম হবে, তা রাইটসের রিপোর্টের ভিত্তিতে ঠিক হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.