Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Jadavpur University

যাদবপুরে ‘আজাদি’ স্লোগান, প্রতিবাদের নামে ক্যাম্পাসে বহিরাগত ঢোকাচ্ছে বামেরা! ‘দ্বিখণ্ডিত’ জুটা

শুক্রবার 'গেরুয়া সন্ত্রাসে'র বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের ভিতরের মাঠে প্রতিবাদ জমায়েতের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলি।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৮:৩৯

link
গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৮:৩৯

options
link
যাদবপুরে ‘আজাদি’ স্লোগান, প্রতিবাদের নামে ক্যাম্পাসে বহিরাগত ঢোকাচ্ছে বামেরা! ‘দ্বিখণ্ডিত’ জুটা zoom
২১ আগস্ট, শুক্রবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্রদের মিছিলে উঠল 'আজাদি' স্লোগান, নিজস্ব ছবি
Advertisement

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে সংঘর্ষের রেশ জারি শুক্রবারও। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটে নামাঙ্কিত নন্দলাল বসুর তৈরি প্রতীকের ক্ষতি করে ‘গেরুয়া সন্ত্রাসে’র বিরুদ্ধে  এদিন বাম ছাত্র সংগঠনগুলি মিলে  ক্যাম্পাসের ভিতরের ময়দানে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। শুক্রবার সেই জমায়েতে প্রচুর বহিরাগত ঢুকে গিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেখান থেকে উঠল ‘আজাদি’ স্লোগান। পড়ুয়াদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে লেখা মাওবাদীদের স্লোগানও। আর তাতেই যাদবপুর ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা জুটা দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়ে। একদিকে, জুটার সম্পাদক রাজ্যেশ্বর রায়ের দাবি, ওই জমায়েত বহিরাগতদের, তাতে তিনি প্রতিবাদে শামিল হবেন না। আবার সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়ের বক্তব্য, ইস্যুভিত্তিক প্রতিবাদকে তিনি সমর্থন করবেন।

এই জমায়েত ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল যাদবপুরে। অভিযোগ, প্রতিবাদী জমায়েতের নামে বামেরা প্রচুর বহিরাগতদের এনেছে। তাঁরা সেখানে ‘আজাদি’ স্লোগান তুলছে। এছাড়া এসএফআই, ডিএসও, আইসার সমবেত মিছিলে পড়ুয়াদের হাতে মাওবাদী স্লোগান – ‘শতফুল বিকশিত হোক শত ভাবনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক’ লেখা প্ল্যাকার্ড। এতেই ক্ষুব্ধ সেখানকার শিক্ষক সংগঠন জুটা।

বুধবার রাত থেকে অশান্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ফেটসুর সাধারণ সভা বা জিবি মিটিং ঘিরে সেই অশান্তির সূত্রপাত। অরবিন্দ ভবনে বৈঠক চলাকালীন এবিভিপির সদস্যরা ঢুকে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পালটা এভিবিপির অভিযোগ, জিবি মিটিং নিয়ে প্রশ্ন করায় তাঁদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে বামপন্থীরা। সেই রাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে।এনিয়ে বৃহস্পতিবার এবিভিপি ও এসএফআই – বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’পক্ষের মিছিল কর্মসূচি ঘিরে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটের কাছে নন্দলাল বসুর তৈরি করা নামের এমব্লেমটির ক্ষতি হয়। এতে একে অপরের উপর দোষ চাপায় এবিভিপি, এসএফআই। ক্যাম্পাসে ‘গেরুয়া সন্ত্রাসে’র প্রতিবাদে শুক্রবার ভিতরের মাঠে প্রতিবাদী জমায়েতের ডাক দেয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি।

Advertisement
যাদবপুরে বাম ছাত্র সংগঠনের মিছিল, নিজস্ব ছবি

এই জমায়েত ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল যাদবপুরে। অভিযোগ, প্রতিবাদী জমায়েতের নামে বামেরা প্রচুর বহিরাগতদের এনেছে। তাঁরা সেখানে ‘আজাদি’ স্লোগান তুলছে। এছাড়া এসএফআই, ডিএসও, আইসার সমবেত মিছিলে পড়ুয়াদের হাতে মাওবাদী স্লোগান – ‘শতফুল বিকশিত হোক শত ভাবনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক’ লেখা প্ল্যাকার্ড। এতেই ক্ষুব্ধ সেখানকার শিক্ষক সংগঠন জুটা। তাদের একাংশ প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেয়নি। বাকিরা অবশ্য মিছিল করে ঢাকুরিয়া পর্যন্ত যান। সেখান থেকে উলটো পথে আবার ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটের কাছে যে এমব্লেমটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তা ফের লাগিয়ে দেওয়া হয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নং গেটে ফের লাগিয়ে দেওয়া হল ক্ষতিগ্রস্ত এমব্লেমটি, ছবি: অরিজিৎ সাহা

এবিভিপি বরাবর অভিযোগ তুলেছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে সক্রিয় শহুরে নকশালরা, দেশবিরোধী স্লোগান লেখা ক্যাম্পাসের ভিতের। এখানে পড়াশোনার আড়ালে এমন কাজকর্ম চলে অবাধে। কিন্তু বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি বারবার তা অস্বীকার করেছে। পালটা যুক্তি হিসেবে তারা তুলে ধরেছে, প্রশ্ন করার অধিকারের কথা। প্রশ্ন করলেই ‘দেশবিরোধী’ তকমা কেন দেওয়া হচ্ছে? কিন্তু বামেদের এসব দাবি যে স্রেফ দাবি, শুক্রবার ক্যাম্পাসের ভিতরের মিছিল থেকে ‘আজাদি’ স্লোগান, মাওবাদীদের প্ল্যাকার্ড তারই প্রমাণ।

যাদবপুর ক্যাম্পাসে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের হাতে মাওবাদীদের স্লোগান লেখা পোস্টার, নিজস্ব ছবি
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.