Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৯ জুলাই ২০২৬
NRS Medical College

এনআরএসে বিড়াল সন্ত্রাস!

সরকারি হাসপাতাল লক্ষ লক্ষ মানুষের শেষ ভরসা। কিন্তু সেই ভরসার ভিত কতটা মজবুত? কোথায় দুর্বল স্বাস্থ্য পরিষেবা? পরিকাঠামোর অভাবই কি বাড়াচ্ছে রোগীদের দুর্ভোগ? চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীরা সচেষ্ট, তবু গাফিলতি কোথায়? ‘সংবাদ প্রতিদিন’ অন্তর্তদন্ত। আজ পঞ্চম পর্ব।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ২০:৫১

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ২০:৫১

options
link
এনআরএসে বিড়াল সন্ত্রাস! zoom
হাসপাতাল আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হোক, দাবি তুলেছে রোগীর পরিবার।
Advertisement

রোগী নয়। নার্স-চিকিৎসকও নয়। তারাই ঘুরছে হাসপাতালে। চারপায়ে। নীলরতন সরকার মেডিক‌্যাল কলেজে (NRS Medical College) থিক থিক করছে মার্জার। দুপুরে-রাতে রোগী খাবার খেয়ে এঁটো থালা রাখতে গেলেই ছুটে আসছে বিড়াল। মার্জার উৎপাত নিয়ে ব‌্যতিব‌্যস্ত নীলরতন সরকার মেডিক‌্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ।

অস্থিরোগ বিভাগের এক চিকিৎসকের বক্তব‌্য, জানালায় জাল দিয়ে দেখা যেতে পারে। তবে তার আগে তো হাসপাতালের অন্দর থেকে বের করতে হবে হুলোদের। সার্জারি থেকে স্ত্রীরোগ সমস্ত বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিড়াল বংশের নিশ্চিন্ত আশ্রয় হাসপাতালের অন্দরমহল। করিডর থেকে ওয়ার্ড, এমনকী, লেবার রুম থেকে ডক্টরস রুম— সর্বত্রই অবাধ আনাগোনা তাদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৃণমূল আমলে নীলরতন সরকার মেডিক‌্যাল কলেজে বিড়াল সমস‌্যায় ফ‌্যাসাদে পড়েছিলেন চিকিৎসকরা। চারপেয়েদের কামড়ও খেয়েছেন অনেকে। চিকিৎসক থেকে রোগীর পরিবার সকলেরই প্রশ্ন, ‘‘রাজ্যে পালাবদলের বিড়াল-যন্ত্রণা বদলাবে না?’’

গোটা নীলরতন চত্বরে সংখ্যায় এরা কম করে আশি-নব্বইটা। এমনকী, হাসপাতালের কোনও ওয়ার্ডের ফাঁকা বেডেও বিশ্রাম নিতে দেখা যাচ্ছে বিড়ালদের। রাজ্যে পালাবদলের পর সম্প্রতি স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ‌্যায় বারাসত মেডিক‌্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন। চারিদিকে নোংরা। চতুর্দিকে বিড়াল। অবস্থা দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। নীলরতন সরকার মেডিক‌্যাল কলেজে এলে কী বলবেন?

হাসপাতালের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‘বিড়াল তাড়াতে গেলে কলকাতা পুরসভার সাহায‌্য চাই। নয়তো এর সমাধান বার করা মুশকিল। হাসপাতাল কিছু করতে পারবে না।’’ এদিকে কলকাতা পুরসভার কুকুর ধরার বিভাগ থাকলেও, বিড়াল ধরার জন‌্য কোনও বিভাগ নেই। বছর দশেক আগে একবার বিড়াল ধরার বন্দোবস্ত করেছিল নীলরতন সরকার মেডিক‌্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাতে অবস্থা হিতে বিপরীত। কারণ? হাসপাতালের আধিকারিকের বক্তব‌্য, ‘‘বিড়াল ধরতে গেলে পশুপ্রেমীরা চলে আসছে। বিক্ষোভ দেখাচ্ছে হাসপাতাল চত্বরে। বিড়াল নিয়ে কোনও আইন নেই। যার জেরেই বিপদে পড়ছে হাসপাতাল। সরকারের কাছে আমাদের আবেদন হাসপাতালকে বেড়ালমুক্ত করার জন‌্য নির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করা হোক।’’

শহরের অন‌্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল নীলরতন সরকার মেডিক‌্যাল কলেজ। ফি দিন ওপিডিতে সাড়ে পাঁচ হাজার রোগী আসেন বহির্বিভাগে। দু’হাজার পঞ্চাশ বেড আছে হাসপাতালে। সেই হাসপাতাল আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হোক। দাবি তুলেছে রোগীর পরিবার। (চলবে)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.