Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
RG kar hospital

আর অভয়া নয়, শপথ নিতে আর জি করেই বসছে ‘অভয়া’র মূর্তি, উন্মোচন মহালয়ার সকালে

আরজি করে অধ্যক্ষের অফিসের সামনে বসানো হচ্ছে এই আবক্ষ 'অভয়া' মূর্তি ৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৪, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৪, ১১:৫১

options
link
আর অভয়া নয়, শপথ নিতে আর জি করেই বসছে ‘অভয়া’র মূর্তি, উন্মোচন মহালয়ার সকালে zoom
Advertisement

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: যেখানে গিয়েছে প্রাণ, সেখানেই বসবে অভয়ার মূর্তি। আর অভয়া নয়, নির্ভয়ে রাতে হাটবে, কাজ করবে মেয়েরা। এই শপথে মূর্তি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আর জি করের মৃতা চিকিৎসকের সহকর্মীরা।

কর্মক্ষেত্রে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে আর জি করের তরুণী চিকিৎসককে। নৃশংস এই ঘটনার প্রতিবাদের ঢেউ রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে দেশে, এমনকী বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। এই ঘৃণ্য ঘটনার কথা যাতে কেউ ভুলে না যায়, সেজন্যই আর জি কর চত্বরে অভয়ার মূর্তি বসানোর সিদ্ধান্ত। মহলয়ার সকালে এই মূর্তির উন্মোচন হবে। অভয়ার বাবা-মাকে মূর্তি উন্মোচনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তারা উপস্থিত না থাকতে পারলে জুনিয়র ডাক্তাররাই সেটির উন্মোচন করবেন।

Advertisement

আরজি করে অধ্যক্ষের অফিসের সামনে বসানো হচ্ছে এই আবক্ষ ‘অভয়া’ মূর্তি। জুনিয়র ডাক্তারদের গণ কনভেনশনে পাশ হওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, নিহত চিকিৎসক-পড়ুয়ার মূর্তি বসানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই মূর্তি তৈরি করছেন শিল্পী অসিত সাঁই । সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের সময় যে নির্মম অত্যাচারের শিকার ওই চিকিৎসক হয়েছেন, সেটাই তাঁর তৈরি আবক্ষ ‘অভয়া’ মূর্তিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য, অভয়াকে যাতে কেউ না ভুলে যায়। আগামী প্রজন্ম যেন মনে রাখে একটা মেয়ে ছোট থেকে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখত। স্বপ্ন পূরণ হল। ডাক্তার হল। চেষ্ট মেডিসিন বুকের ব্যাথা নিরাময় করতে নিজেকে তিল তিল করে গড়ে তুলেছিল। তাঁকেই কর্মক্ষেত্রে মানুষরূপী অবয়বের শিকার হতে হল, সেটাকে মনে রাখতেই অভয়ার মূর্তি গড়ার উদ্যোগ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.