Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kalatan Dasgupta

আর জি কর কাণ্ড: ভাইরাল অডিও কথোপকথনে কলতানের কণ্ঠস্বর সংগ্রহ করতে চেয়ে হাই কোর্টে রাজ্য

আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১৭:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১৭:৪৯

options
link
আর জি কর কাণ্ড: ভাইরাল অডিও কথোপকথনে কলতানের কণ্ঠস্বর সংগ্রহ করতে চেয়ে হাই কোর্টে রাজ্য zoom

গোবিন্দ রায়: আর জি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলার পরিকল্পনায় নাম জড়িয়েছিল ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্তের। গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। যদিও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তিনি ছাড়া পান। এবার ফের সেই ঘটনায় পদক্ষেপ করতে চাইছে রাজ্য। ডিওয়াইএফআই নেতার ভয়েস স্যাম্পেল সংগ্রহ করতে চাইছে পুলিশ। এই অবস্থায় ফের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য। আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হতে পারে। তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।

আর জি কর কাণ্ডের সময় প্রতিবাদী জুনিয়র চিকিৎসকরা সল্টলেকের স্বাস্থ্যভবনের বাইরে অবস্থান আন্দোলনে বসেছিলেন। সেসময় একটি ভাইরাল অডিও কথোপকথন সামনে আসে। আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলার কথা সেখানে শোনা গিয়েছিল। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। তৃণমূলের তরফ থেকে দাবি করা হয়, কথোপকথনের একটি স্বর ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্তের।

Advertisement

পুলিশ তদন্তে নেমে সঞ্জীব দাস নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, জেরায় ওই ব্যক্তি কলতান দাশগুপ্তের নাম বলেন। দুজনের কল রেকর্ড খতিয়ে দেখা হয়। দেখা যায় সঞ্জীবের ফোন থেকে কলতানের ফোনে ফোন গিয়েছে। ধৃতের বয়ানের ভিত্তিতেই কলতানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর মোবাইল ফোন দুটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এরপর শুরু হয় ধারাবাহিক জিজ্ঞাসাবাদ। পরবর্তীকালে ওই মামলা কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের এজলাসে ওঠে। তদন্তে কলতান সহযোগিতা করছেন না। তিনি মোবাইল আনলক করছেন না। সেই কথা রাজ্যের তরফে বলা হয়েছিল।

কলতানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এমনই দাবি করেছিলেন তাঁর তরফের আইনজীবী। তাঁর সওয়াল, “কন্ঠস্বর পরীক্ষা করা হোক। কণ্ঠস্বর সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হল? শুধু তাই নয়, মক্কেলকে পুলিশ অন্য মামলায় জড়িয়ে দিতে পারে। সেই আশঙ্কাও আদালতে করা হয়েছিল। শেষপর্যন্ত হাই কোর্ট জামিন দেয় কলতান দাশগুপ্তকে। পাঁচদিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর মুক্তি পান তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনওরকম পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। সেই নির্দেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.