Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Ghatal Master Plan

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হতেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত, বৈঠকে কী নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর?

আজ, সোমবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্যের ৩৪টি দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ২১:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ২১:০৪

options
link
‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হতেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত, বৈঠকে কী নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর? zoom
ফাইল ছবি।

সরকারে বদল আসতেই গতি আসছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানে। প্রত্যেকবছরই বর্ষায় এই এলাকা চলে যায় জলের তলায়। এই সমস্যা মেটাতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে আলোচনা। কার্যত কেন্দ্র-রাজ্যের দড়ি টানাটানিতে দীর্ঘসময় ধরে ঝুলে এই প্রকল্পের কাজ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কার্যকর করার কথা বললেও কাজের অগ্রগতি নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। তবে বাংলায় ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতেই এই প্রকল্পের কাজে গতি আসতে চলেছে। কেন্দ্রকে সঙ্গে নিয়েই এই কাজ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত শুভেন্দু সরকারের। 

আজ, সোমবার নবান্ন সভাঘরে রাজ্যের ৩৪টি দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত চর্চা হয়। তার মধ্যেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বিশেষ গুরুত্ব পায়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান। এক্ষেত্রে রাজ্যকে সাহায্য করবে কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, ৫০-৫০ শতাংশ হারে প্রকল্পের ব্যয় কেন্দ্র এবং রাজ্যের সরকার বহন করবে। সেই মতো সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চূড়ান্ত পরিকল্পনা এবং আর্থিক বরাদ্দ চূড়ান্ত করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন বলে খবর। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান। এক্ষেত্রে রাজ্যকে সাহায্য করবে কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, ৫০-৫০ শতাংশ হারে প্রকল্পের ব্যয় কেন্দ্র এবং রাজ্যের সরকার বহন করবে।

এই প্রকল্প বাস্তব হলে ঘাটালের মানুষকে পাকাপাকিভাবে জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর এবং সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকার বন্যা সমস্যাও মিটবে। 

বলে রাখা প্রয়োজন, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তব করতে কেন্দ্র কোনও সহযোগিতা করছে না! এহেন অভিযোগ তুলে এককভাবে এই প্রকল্প বাস্তব করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য প্রথমদফায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দও করা হয়। যদিও মূল প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন মোট ১২৭০ কোটি টাকা। এই অবস্থায় প্রকল্পের কাজ নিয়ে বারবার অভিযোগ তোলে বিজেপি। এমনকী বঙ্গে প্রচার এসে বারবার অমিত শাহের বক্তব্যে উঠে আসে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কথা। এমনকী সরকার গঠন হলে দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.