Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬
TMC Councillor Death

দেবরাজ ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু, গ্রেপ্তারির ভয়েই চরম সিদ্ধান্ত?

দক্ষিণ দমদম পুরসভার কাউন্সিলর সঞ্জয় দাস বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব থাকা দেবরাজের চক্রবর্তী অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি।

Advertisement
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৬:৪৬

link
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০২৬, ১৬:৪৬

options
link
দেবরাজ ‘ঘনিষ্ঠ’ তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু, গ্রেপ্তারির ভয়েই চরম সিদ্ধান্ত? zoom
দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জয় দাস।

দক্ষিণ দমদম পুরসভার কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যু (TMC Councillor Death)। ঘর থেকে সঞ্জয় দাসের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। খবর পেতেই নাগারবাজার থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় হাসপাতালে। আইএসএল হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, সঞ্জয় দাস বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব থাকা দেবরাজ চক্রবর্তীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কয়েকদিন আগে সঞ্জয় দাসের বাড়িতে একটি নোটিস সেঁটে দিয়ে যায় কেউ বা কারা। যেখানে সঞ্জয়ের নাম করে উল্লেখ করা ছিল, ‘এতদিন পর্যন্ত যাদের জমি জবরদখল করেছে, যাদের কাছ থেকে জোর করে টাকা-পয়সা নিয়ে রেখেছে। সমস্ত কিছু ফেরত দিতে হবে।’  জানা গিয়েছে, এই নোটিসের পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার সঞ্জয় দাস। আচমকা শনিবার সকালে ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার ঘিরে দানা বাধছে রহস্য। তাহলে গ্রেপ্তারির ভয়েই কি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন ওই তৃণমূল নেতা?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
South dumdum councilor unnatural death
তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জয় দাসের বাড়িতে সাঁটানো নোটিস।

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয় দাস। তিনি পুর পারিষদের সদস্য, স্বাস্থ্য দপ্তরেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। রাজারহাট গোপালপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বৃত্তেই ছিলেন সঞ্জয়। গত সপ্তাহেই তোলাবাজি-ভোট পরবর্তী হিংসা সহ একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দেবরাজ। তাঁর গ্রেপ্তারির পরপরই তোলাবাজির অভিযোগে তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক তৃণমূল নেতাও ধরা পড়েছে পুলিশের জালে। এই আবহেই দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যু। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার করেছেন বলেই অনুমান করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে নির্দিষ্ট কারন। শোকে পাথর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে খবর পেতেই হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছেন অদিতি মুন্সি।

পরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাগর দত্ত হাসপাতালে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, কাউন্সিলরকে মানসিক নির্যাতন করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, এর সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.