Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬
Mamata Banerjee

‘সিঙ্গুরে মরণাপন্ন মমতাকে বাঁচান বাবা-মা’, এবার আন্দোলন নিয়ে ‘দিদি’কে খোঁচা কাকলিপুত্রের

কোন শর্ত পূরণ হলে সাংসদ পদ ছাড়বেন কাকলি, তাও জানালেন বৈদ্যনাথ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
‘সিঙ্গুরে মরণাপন্ন মমতাকে বাঁচান বাবা-মা’, এবার আন্দোলন নিয়ে ‘দিদি’কে খোঁচা কাকলিপুত্রের zoom
'সিঙ্গুরে মরণাপন্ন মমতাকে বাঁচান বাবা-মা', এবার আন্দোলন নিয়ে 'দিদি'কে খোঁচা কাকলিপুত্রের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) চারদশকের সঙ্গী কাকলি ঘোষ দস্তিদার বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখাতেই কালীঘাট তৃণমূলের একাধিক নেতা তাঁকে তুলোধোনা করেছেন। খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোও তাঁকে নিশানা করেছেন। মায়ের এই ‘অপমানে’র প্রতিবাদে বিয়েতে দলনেত্রীর দেওয়া উপহার ফেরতের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। এবার সোশাল মিডিয়ায় সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কথা তুলে ধরে তিনি দাবি করলেন, তাঁর বাবা-মা (কাকলি ও সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার)-এর জন্যই প্রাণে বেঁচে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

ঠিক কী লিখেছেন বৈদ্যনাথ? ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘হৃদয় ভেঙে গিয়েছে। একদম শেষ হয়ে গিয়েছি। ২০০৬ সালে সিঙ্গুর আন্দোলনে দিদিকে নৃশংসভাবে মারা হয়েছিল। রাতে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হার্ট রেট নেমে যায় ৩০, কখনও ২০-এ। লাঠির আঘাতে তাঁর প্রায় হার্ট অ্যাটাক ও কিডনি ফেলিওর হয়ে যাওয়ার অবস্থা। চিকিৎসার ভাষায় এটাকে বলে ব্লাস্ট লাং-এর মতো অবস্থা। রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। রাত দুটোয় বাবা ডা. সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার দিদিকে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আর কোনও ডাক্তার ছিলেন না। বাবা একাই জরুরি চিকিৎসা শুরু করেন। সারারাত ধরে বাবা-মা জেগে দিদির জীবন বাঁচানোর লড়াই করেছিলেন। সকালে দিদি বিপদমুক্ত হন। এখন সেই দলের আইটি সেল আমার মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করছে। অন্তত একটু কৃতজ্ঞতাবোধ দেখান। হ্যাভ সাম শেম। হ্যাভ সাম সেন্স অফ বেসিক গ্র্যাটিটিউড।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদারের ফেসবুক পোস্ট।

 

এদিন ফেসবুক পোস্টে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর মায়ের দূরত্বের জন্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত-সহ একাধিক নেতাকে দায়ী করেছেন বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মায়ের সম্পর্কে চরম আপত্তিকর কথা বলেছিলেন। চড় মারতে উদ্যত হয়েছিলেন, তা জেনেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পদক্ষেপ করেননি। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূলের অনেকেই বলছেন, বিদ্রোহ করতে হলে সাংসদ পদ ছাড়ুন কাকলি। তা নিয়ে বৈদ্যনাথ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কল্যাণের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করলেই সাংসদ পদ ছাড়বেন কাকলি।  তাঁর সাফ কথা, ‘মা বেইমান নন, এই পদক্ষেপ করতে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে।’ 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.