Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
SIR

শুনানির নামে হয়রানি, সন্নাসি-যৌনকর্মী ও আদিবাসি গোষ্ঠীদের নিয়ে বড় নির্দেশিকা কমিশনের

আদিবাসী, যৌন কর্মী এবং সন্নাসীদের এই ছাড় দিয়েছে কমিশন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ২১:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ২১:৪৫

options
link
শুনানির নামে হয়রানি, সন্নাসি-যৌনকর্মী ও আদিবাসি গোষ্ঠীদের নিয়ে বড় নির্দেশিকা কমিশনের zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়ায় আতঙ্ক, দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জমেছিল যৌনকর্মীদের মনে। পাশপাশি, আদিবাসী গড়েও বাড়ছিল দুশ্চিন্তা। ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বে না তো নাম? কীভাবে জমা দেওয়া হবে বৈধ কাগজ? এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল, নির্বাচন কমিশন। বাড়িতে গিয়ে করতে হবে শুনানি। আদিবাসী, যৌন কর্মী এবং সন্নাসীদের এই ছাড় দিয়েছে কমিশন।

বিভিন্ন এলাকা থেকে যৌনকর্মীরা আসেন। সামাজিক নানা কারণেই পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। এর ফলে নথি জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব। সমস্যা আদিবাসীদের ক্ষেত্রেও। তাদের অনেকের কাছেই নেই বৈধ নথি। বহু ক্ষেত্রে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসের কারণে, তাঁরা বৈধ ভোটার হলেও আগের ভোটার তালিকার সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক স্থাপনের মত সঠিক নথি থাকেনা তাঁদের কাছে। সেক্ষেত্রে শুনানিতে সমস্যা হওয়ার কথা তাঁদের। পাশপাশি, শুনানির গেরোয় পড়েছেন সন্নাসীরাও। আশ্রমের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁদের অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে একই ব্যক্তির নাম রয়েছে একাধিক সন্নাসির বাবার নামের জায়গায়। এই সব সমস্যার সমাধানে এবার নতুন নির্দেশিকা দিয়েছে কমিশন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জানিয়েছেন, যৌনকর্মী, দুর্বল উপজাতি গোষ্ঠী (PVTG), আশ্রমের বাসিন্দা এবং প্রান্তিক গোষ্ঠীর যোগ্য ভোটারদের নাম তালিকায় তুলতে বাড়িতে গিয়ে শুনানি করা হবে। তিনি বলেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা সঙ্গে সম্পর্ক দেখাতে না পারলেও এই তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওই নির্দিষ্ট এলাকা, গ্রাম অথবা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি, অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রমাণ রেকর্ড করবেন এবং ভিডিও করবেন। এছাড়াও, স্থানীয় বিএলএ-দের সঙ্গে কথা বলবেন আধিকারিক।

এই ধরণের সমস্যা নিয়ে প্রথম থেকেই আন্দোলন সংগঠিত করছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। পাশাপাশি, বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে এই মর্মে চিঠিও লিখেছিল যৌনকর্মী এবং তাঁদের সন্তানদের নিয়ে কাজ করা তিনটি সংগঠন। এবার চাপে পরেই, এই সিদ্ধান্ত নিছে কমিশন এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.