Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য কমিশনের! শুনানিতে ডকুমেন্ট জমা দিলেও মিলছে না রসিদ

সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দেয়। তার মধ্যে অন্যতম ছিল, ভোটাররা শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তথ্য জমা দিলে, দিতে হবে রসিদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৭:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৭:১০

options
link
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য কমিশনের! শুনানিতে ডকুমেন্ট জমা দিলেও মিলছে না রসিদ zoom

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য! এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানিতে উপস্থিত থেকে তথ্য প্রমাণ জমা দেওয়ার পরও মিলছে না প্রমাণপত্র বা রসিদ! এমনই অভিযোগ শহর কলকাতা থেকে জেলাজুড়ে শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়া ভোটারদের। রসিদ চাইলে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, তাঁদের কাছে কোনও নির্দেশিকা নেই! যার ফলে তথ্য জমা দেওয়ার কোনও প্রমাণ থাকছে না শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারদের কাছে।

নির্বাচন কমিশন শুনানি প্রক্রিয়াকে কয়েক দফায় ভাগ করেছে। প্রথম দফায় যাঁদের ম্যাপিং হয়েছিল না, তাঁদের ডাকা হয়। এখন লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি থাকা ভোটারদের ডাকা হচ্ছে। তাঁরা শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণ জমা দিলে রসিদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ডাক পাওয়া এক ভোটার তুষারকান্তি দে বলেন, “আমাকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। আমার নামের বানানে ভুল ছিল। সেই জন্য ডাকা হয়েছে। শরীর খারাপ নিয়ে আমি হাজিরা দিই। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণ জমা দিয়েছি। কিন্তু আমি যখন রসিদ চাই, আধিকারিকরা বলেন রসিদ দেওয়া নিয়ে তাঁদের কাছে কোনও নির্দেশিকা নেই। শেষে বিএলও আমার হিয়ারিং নোটিসে সই করে দিয়েছেন।”

রানাঘাটের প্রহ্লাদ পাত্র বলেন, “জাতীয় নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করছে। ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার পর রসিদের কথা বলা হলে, ভোটারদের হেনস্তার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমি তথ্য দিলাম তার কোনও প্রমাণ আমার কাছে থাকল না। আগামিদিন যদি বলা হয় আমি কোনও নথি জমা দিইনি। সেই অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ আমার কাছে থাকল না।”

কোনও রসিদ না দেওয়া নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন আরেক ভোটার। বৃদ্ধা গীতা সেনগুপ্ত বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও কেন ওরা রসিদ দিচ্ছে না জানি না। আমি শুনানি প্রক্রিয়ায় হাজির থাকলাম তাঁর কী প্রমাণ থাকল?” এই চিত্র শুধু শহর কলকাতার নয়। প্রায় সব জেলাজুড়েই। তথ্য প্রমাণ জমা দেওয়ার কোনও প্রামাণ্য নথি না পেয়ে আতঙ্কে রয়েছেন অনেক ভোটার। রানাঘাটের প্রহ্লাদ পাত্র বলেন, “জাতীয় নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করছে। তথ্য প্রমাণ জমা দেওয়ার পর রসিদের কথা বলা হলে, ভোটারদের হেনস্তার মুখে পড়তে হচ্ছে। আমি তথ্য দিলাম তার কোনও প্রমাণ আমার কাছে থাকল না। আগামিদিন যদি বলা হয় আমি কোনও নথি জমা দিইনি। সেই অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ আমার কাছে থাকল না।”

কিন্তু সুপ্রিম নির্দেশের পরও কেন দেওয়া হচ্ছে না রসিদ? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শহরের এক বিএলও বলেন, “সিনিয়ররা রসিদ দেওয়ার কোনও নির্দেশ দেননি। হিয়ারিং নোটিসেই সই করে দিচ্ছি।” কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, পরবর্তী ধাপের শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে। সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা চালু করা হবে। কিন্তু তাতেও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যাঁরা এতদিন কাগজ জমা দিলেন, তাঁদের কী হবে?

উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ার একাধিক অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের শাসকদলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ ২ সাংসদ। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে একাধিক নির্দেশ দেয়। তার মধ্যে অন্যতম ছিল ভোটাররা শুনানি কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তথ্য জমা দিলে, দিতে হবে রসিদ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.