Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Haridevpur

‘আমিই খুন করে দেব’, বন্ধুর আশ্বাসে প্রেমিকাকে খুনের ছক! গ্রেপ্তার হরিদেবপুরের শুটার

সোমবার সকালে হরিদেবপুরে মহিলাকে লক্ষ্য করে বাইক থেকে গুলি চালিয়েছিল বাপ্পা দাস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ১০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ১০:৩৬

options
link
‘আমিই খুন করে দেব’, বন্ধুর আশ্বাসে প্রেমিকাকে খুনের ছক! গ্রেপ্তার হরিদেবপুরের শুটার zoom

অর্ণব আইচ: হরিদেবপুর শুটআউট কাণ্ডে এবার পুলিশের জালে শুটারও। সোমবার রাতেই তাকে বালিগঞ্জের ডেরা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেহালার সরশুনা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র। এদিন কয়েকঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছিল গুলিবিদ্ধ মহিলার প্রেমিক বাবলু ঘোষ। আর রাতে তার বন্ধু বাপ্পা দাসকে জালে এনে একদিনের মধ্যেই এই ঘটনার কিনার করে ফেলল হরিদেবপুর থানার পুলিশ। বালিগঞ্জ থেকে ধৃত বাপ্পাই গুলি চালিয়েছিল বলে পুলিশের জেরায় জানিয়েছে। এর নেপথ্য কাহিনিও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

হরিদেবপুর শুটআউটে আগেই গ্রেপ্তার প্রেমিক বাবলু ঘোষ। নিজস্ব ছবি।

সোমবার প্রাতঃভ্রমণের সময় প্রাণঘাতী হামলা চলে হরিদেবপুরের বাসিন্দা পঞ্চাশোর্ধ্ব মৌসুমী হালদারের উপর। পিছন থেকে বাইকে এসে দু’জন তাঁকে গুলি করে। পিঠে গুলি লাগায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়তে পড়তেই প্রেমিক বাবলু ঘোষের নাম জানিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর সেই বয়ান এবং প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ তিন ঘণ্টার মধ্যে বাবলুকে গ্রেপ্তার করে। জানা যায়, মৌসুমী ও বাবলুর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণে এই হামলা। সম্প্রতি প্রেমের সম্পর্ক থেকে মৌসুমী বেরিয়ে আসতে চাইলেও নাছোড় বাবলু। আর তার জেরেই প্রাণে মেরে ফেলার ছক। পুলিশি জেরায় বাবলু জানিয়েছে, অপর ধৃত তথা শুটার বাপ্পা তার বন্ধু। একদিন মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে এনিয়ে আলোচনা হয়। সব শুনে বাপ্পা নাকি বলেছিল, মৌসুমীকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার কাজটা সে করে দেবে। তাতে রাজি হয়ে দুই বন্ধু মিলে খুনের ষড়যন্ত্র করে এবং সোমবার সকালে সেই চেষ্টা করা হয়।

Advertisement

পরিকল্পনামাফিক পিস্তল থেকে মৌসুমীকে গুলি করা হয়। তবে তিনি বেঁচে যাবেন, তা কেউ ভাবতে পারেনি। তাই শুটআউটের পর তড়িঘড়ি বাবলু ও বাপ্পা দু’দিকে পালানোর চেষ্টা করেছিল। পরে পুলিশের জালে ধরা পড়ে বাপ্পার কথা জানায় বাবুল। তার ভিত্তিতেই বালিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হয় বাপ্পা। পুলিশ জানতে পেরেছে, ব্যবহৃত পিস্তলটি বাবলুরই। দেড় বছর আগে সরশুনার এক ব্যক্তির কাছ থেকে পেয়েছিল। সেই পিস্তল থেকে বাপ্পা গুলি চালিয়েছিল মৌসুমীকে লক্ষ্য করে। বাবলুর দাবি, সরশুনার ওই ব্যক্তি নাকি তাকে পিস্তলটি রাখতে বলেছিলেন। তারপর তিনি মারা যান। তাই তা বাবলুর কাছে থেকে গিয়েছে। যদিও এই তথ্যের সত্যতা কতটা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.