Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Jadavpur University

‘অনেক কমরেড মেরেছে’, যাদবপুরের দেওয়ালে ‘কিষেণজিকে স্যালুটে’ আপত্তি এসএফআইয়ের

বাংলায় মাওবাদীদের হাত শক্ত করার জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দুষছে এসএফআই।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ২০:৩০

link
গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
‘অনেক কমরেড মেরেছে’, যাদবপুরের দেওয়ালে ‘কিষেণজিকে স্যালুটে’ আপত্তি এসএফআইয়ের zoom
যাদবপুরের দেওয়ালে 'কিষেণজিকে স্যালুটে' আপত্তি এসএফআইয়ের
Advertisement

গত কয়েকদিন ধরে নতুন করে চর্চায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিতর্ক দানা বেঁধেছিল ক্যাম্পাসের ‘দেশবিরোধী’ দেওয়াল লিখন নিয়েও। কিন্তু ভারতের বুকে যাদবপুরের মতো প্রতিষ্ঠানের দেওয়ালে কেন জ্বলজ্বল করবে ‘রেড স্যালুট কিষেণজি’ বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’? এসএফআই নেতার সাফ কথা, কিষেণজিকে স্যালুট তাঁরা সমর্থন করেন না। বাংলায় মাওবাদীদের হাত শক্ত করার জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দুষেছেন তিনি।     

জিবি বৈঠককে কেন্দ্র করে দিন পনেরো আগে উত্তাল হয়ে ওঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ক্যাম্পাস। প্রতিবাদে পথে নামে এবিভিপি, এসএফআই দু’পক্ষই। আন্দোলন, পালটা আন্দোলনের জল গড়ায় অনেকদূর। খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, যাদবপুর দেশবিরোধীদের মদত দিয়ে চলছে বছরের পর বছর। এরপরই ক্যাম্পাস থেকে দেশবিরোধী স্লোগান মুছে দেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি। সেই মতো ক্যাম্পাসের দেওয়ার লিখন মোছাও হয়। যদিও রাতারাতি সেখানে ফিরে এসেছে কার্ল মার্ক্সের উক্তি। কিন্তু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালের ‘রেড স্যালুট কিষেণজি’, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ কতটা যুক্তিযুক্ত? 

Advertisement

এপ্রশ্ন করা হলে কিষেণজি প্রসঙ্গে সায়েন্স ফ্যাকাল্টির এসএফআইয়ের ইউনিট সেক্রেটারি অ্যাঞ্জেল দাস বলেন, “আমরা কোনওদিনই সমর্থন করি না। কিষেণজি আমাদের কমরেডদের মেরেছে। শুভেন্দু অধিকারী আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওদের এনেছিলেন। ওদের প্রশয়ে এরা বেড়েছে। আমরা কখনই এসবে সমর্থন করি না।” বামেদের মিছিলে বহিরাগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ভাবিনি বাইরের লোক আসবে। কেউ যদি আসে আমরা কী করব।” আসলে এককথায় সকলকে বামপন্থী বলে দাগিয়ে দেওয়া হলেও এসএফআই ও অতি বামদের (ডিএসও, আইসা) মধ্যে মতাদর্শগত পার্থক্য অনেক। একদল রাষ্ট্রের বিরোধী। এক গোষ্ঠী রাষ্ট্রের ভিতরে থেকে গণতান্ত্রিক উপায়ে ভুল-ত্রুটি সংশোধনের কথা বলে। এপ্রসঙ্গে এবিভিপি নেতা বলেন, “এরা বিচ্ছিন্নতাবাদী। এরা এই ধরণের শক্তিদের মদত দেয়। যাদবপুর একটা সময় মাওবাদীদের আখড়া ছিল। অনেকে ক্যাম্পাস থেকে মাওবাদী কার্যকলাপের জন্য গ্রেপ্তারও হয়েছেন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.