শহরে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। আর দাঁড়িয়ে নয়, এবার থেকে রেস্তরাঁর আদলে মা আহারে বসেই খেতে পারবেন সকলে। তার জন্য আলাদা খরচ নয়, একই দামে খাবার পাবেন তাঁরা। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে উদ্বৃত্ত খাবার পুনর্ব্যবহার নিয়েও বিকল্প ব্যবস্থা করতে চলেছে পুরসভা। ওইসব খাবার সংগ্রহ করে রাতে স্টোরে রাখা হবে। পরদিন সেই খাবারের গুণমান পরীক্ষা করবেন পুরসভার ফুড সেফটি অফিসাররা। এরপর তা বিলিয়ে দেওয়া হবে দুস্থদের মধ্যে। দ্রুতই এই কাজ শুরু হবে। শুক্রবার বিধানসভায় পুর বাজেট সংক্রান্ত আলোচনায় এই দুটি বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
শুক্রবার বিধানসভায় পুর বাজেট সংক্রান্ত আলোচনায় মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানালেন, এতদিন মা আহার থেকে খাবার নিয়ে চলে যেতে হতো অথবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে খেতে হতো। এবার রেস্তরাঁর আদলে এখানে বসেই খাওয়া যাবে, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে মোট ৩৯০ টি মা আহার রয়েছে। এখানে মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে ভরপেট খাবার পাওয়া যায়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মা আহারের পরিকাঠামো আরও উন্নত হয়েছে। এখন ৫ থেকে ১৫ টাকার মধ্যে এখানে মাছভাতও পাওয়া যায়। এবার গ্রাহকদের সুবিধায় আরও এক ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিধানসভায় পুর বাজেট সংক্রান্ত আলোচনায় মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানালেন, এতদিন মা আহার থেকে খাবার নিয়ে চলে যেতে হতো অথবা রাস্তায় দাঁড়িয়ে খেতে হতো। এবার রেস্তরাঁর আদলে এখানে বসেই খাওয়া যাবে, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালের আশেপাশে মা আহারের সংখ্যা অন্তত ১০০। রোগীর পরিবারের সদস্য ছাড়াও কর্মী, পথচারী সবমিলিয়ে ফি দিন অন্তত ৮৫ হাজার মানুষ মা আহার থেকে খাবার খান। মাসে এই সংখ্যা কমপক্ষে ২৬ হাজার। এবার তাঁরা সকলেই বসে খেতে পারবেন।
এবার থেকে বিভিন্ন রেস্তরাঁ, হোটেল ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানগুলিতে থেকে উদ্বৃত্ত খাবার ফেলে দেওয়া নয়, তা পুরসভার অফিসাররা সংগ্রহ করবেন। সেই খাবার রাতে রাখা হবে কোনও কোল্ড স্টোরেজে। সকালে সেই খাবার প্রক্রিয়াকরণের পর তার গুণমান যাচাই হবে। তারপর তা বিলিয়ে দেওয়া হবে দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষজনের মধ্যে।
এছাড়া এদিনের পুর বাজেট আলোচনায় আরও একটি প্রশংনীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। এবার থেকে বিভিন্ন রেস্তরাঁ, হোটেল ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানগুলিতে থেকে উদ্বৃত্ত খাবার ফেলে দেওয়া নয়, তা পুরসভার অফিসাররা সংগ্রহ করবেন। সেই খাবার রাতে রাখা হবে কোনও কোল্ড স্টোরেজে। সকালে সেই খাবার প্রক্রিয়াকরণের পর তার গুণমান যাচাই হবে। তারপর তা বিলিয়ে দেওয়া হবে দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষজনের মধ্যে। যাতে তাঁরাও ভালো খাবার খেতে পারেন। খুব দ্রুতই এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। এর জন্য আলাদা করে কোল্ড চেন তৈরির কাজও হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগে বাজল ‘বন্দে মাতরম’, রাষ্ট্রপতির মুখেও ‘বিভাজন বিভীষিকা’!
-
থেঁতলে গিয়েছে খুলি, সাঁকরাইলে বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু! ঝোপের ধারে লাশ দেখে থ পুলিশও
-
ভারতীয় বায়ুসেনার অসামান্য বীরগাথা ‘অপারেশন সফেদ সাগর’, পড়ুন রিভিউ
-
শ্রুতি হাসানের মতো বিড়ালে অ্যালার্জি? এই লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন
-
লালকেল্লা নয়, স্বাধীনতার মুহূর্তে তেরঙ্গা উত্তোলন কোথায় হয়েছিল জানেন? নেপথ্যে ঐতিহাসিক কারণ