Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
RG Kar Case

আর জি কর কাণ্ডে ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃত! সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের

নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃত করার অভিযোগ উঠেছিল। এবার সেই অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৭:০৮

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৭:০৮

options
link
আর জি কর কাণ্ডে ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃত! সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

আর জি করের মূল মামলার পাশাপাশি ভিসেরা সংক্রান্ত অভিযোগেরও তদন্ত করবে সিবিআই। মৃত তরুণী চিকিৎসকের পরিবারের আবেদনকে মান্যতা দিয়ে এই নির্দেশ দিল শিয়ালদহ অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালত। এই মামলায় নির্যাতিতার ভিসেরা নমুনা ও রিপোর্ট বিকৃত করার অভিযোগ উঠেছিল। এবার সেই অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারকে ৩০ জুলাই আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে।

কয়েকদিন আগে বেলগাছিয়ার ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির প্রাক্তন এক কর্মী আর জি করের নির্যাতিতার পরিবারকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। চিঠিতে দাবি করা হয়, অভয়ার শরীর থেকে নেওয়া ভিসেরা নমুনা বদলে ফেলা হয়েছিল। তরুণী চিকিৎসকের শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছে কি না, তাঁকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নিস্তেজ করা হয়েছিল কি না তা জানতে লিভার, কিডনি এবং পাকস্থলীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে রাজ্য ফরেন্সিক ল্যাবে নাকি সেই নমুনা সম্পূর্ণ নষ্ট করে ফেলা হয় বলেই অভিযোগ। রাজ্য ফরেন্সিক বিভাগে তিন আধিকারিক এই নমুনা বদলের কাজ করেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই কাজ হয়। ওই ‘নষ্ট’ হওয়া নমুনাই নাকি সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো হয়। শুধু অভয়াই নন, বিজেপি, সিপিএম কর্মীদের ভিসেরার নমুনা নষ্টের অভিযোগও উঠেছে ফরেন্সিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। এই চিঠি হাতে পাওয়ামাত্রই আঁতকে ওঠেন নির্যাতিতার বাবা। এই ঘটনায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিবিআই তদন্ত চান তাঁরা। সেই আবেদনকেই মান্যতা দিল শিয়ালদহ আদালত। মূল ঘটনার পাশাপাশি ভিসেরা সংক্রান্ত অভিযোগেরও তদন্ত করবে সিবিআই।

Advertisement

জিআরও-কে আদালত নির্দেশ দেয়, উক্ত কাগজপত্র গোপনীয়ভাবে সিল করা খামে এই মামলার তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে পাঠাতে হবে। এছাড়াও নির্দেশ দেওয়া হয়, ওই দু’টি কাগজপত্রের ফটোকপি সিল করা খামে মামলার নথির সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসক নাইট শিফট করতে যান। ওই রাতেই সব শেষ। সেমিনার হলে তাঁকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। পরবর্তীকালে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নেয় সিবিআই। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নতুন করে আর কাউকে পাকড়াও করেনি। শেষমেশ শিয়ালদহ আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। তবে এই তদন্তে সন্তুষ্ট নন অভয়ার বাবা-মা। তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় আরও অনেকেই জড়িত যারা এখনও তদন্তের আড়ালে রয়ে গিয়েছে। বাংলায় ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফের নতুন করে আর জি কর ফাইলস খোলেন। সুবিচার আদৌ কি মিলবে, তথ্যপ্রমাণ নষ্টের বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই উঠছে সে প্রশ্ন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.