যাদবপুর ও বাঘাযতীন স্টেশন অত্যাধুনিক হবে। যাঁরা তৃণমূলকে তোলা দিয়ে আসছেন তাঁদের এভাবে থাকতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাদবপুর এলাকার মানুষকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই দুই স্টেশনে বেআইনি দখলদারদের উচ্ছেদ নিয়ে সিপিএম নাটক করছে। লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। হকার উচ্ছেদ আটকাতে সিপিএমের ভূমিকা দেখছেন না স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় (Sarbori Mukherjee)।
বিধায়কের দাবি, “আমিই ডিআরএম স্যরের কাছে আর্জি জানিয়েছিলাম। ২ তারিখ থেকে স্টেশন সংলগ্ন হকার খালি করতে হবে, এটা আটকাতে হবে। মানুষের রুটিরুজি নিয়ে সংবেদনশীলতার সঙ্গে চিন্তা করতে হবে।” স্থানীয় বিধায়ক জানিয়েছেন, “যাদবপুর স্টেশন আধুনিক হবে। ঝাঁ চকচকে ফুটব্রিজ হবে সাধারণ মানুষের জন্য।” শর্বরীর বক্তব্য, “যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় যাঁরা হকারি করেন তার মধ্যে অগ্রাধিকার পাবেন যাদবপুরের দশটা ওয়ার্ডের মানুষই। লক্ষ্মীকান্তপুর, ক্যানিং থেকে এসে হঠাৎ করে এখানে বসে পড়লে হবে না।” বিগত ১৫ বছর ধরে যাঁরা তৃণমূলকে টাকা দিয়ে হকারি করেছেন, তাঁদের লিখিত অভিযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিধায়ক।
আরও পড়ুন:

মঙ্গলবার রাতে সিপিএম প্রতিবাদ মিছিল করে আটকে দেয় বুলডোজার। সৃজন জানান, ‘৮৮ সালের রায় অনুযায়ী, যাদবপুর, বাঘাযতীন অঞ্চলের যাঁরা ব্যবসায়ী আছেন বা যাঁদের ঝুপড়ি আছে, তাঁদের বাসস্থান শুধু নয়, বিকল্প কোনও কর্মসংস্থানের জায়গার ব্যবস্থা না করে এখান থেকে সরানো যাবে না।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে বেআইনি হকার উচ্ছেদ রুখতে যাদবপুর স্টেশনে প্রতিবাদে শামিল হন বাম নেতা ও কর্মীরা। মঙ্গলবারের পর বুধবার সন্ধেতেও বাঘাযতীন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় হকারদের সঙ্গে কথা বলেন সৃজন ভট্টাচার্য। এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের আশ্বাস, “সবরকমভাবে ঠেকানো হবে হকার উচ্ছেদ।” সিপিএমের অভিযোগ, হকার উচ্ছেদ করতে মঙ্গলবার রাতে যাদবপুর স্টেশনের বাইরে আনা হয়েছিল বুলডোজার। দোকান ভেঙে ফেলা হবে, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসেন এসএফআই-এর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। বুধবার সন্ধেয় সংবাদ প্রতিদিনকে সৃজন জানিয়েছেন, “সার্বিকভাবে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে। আইনি সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, শামিম আহমেদরা। সিপিএম সাংসদরা রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিচ্ছেন।” মঙ্গলবার রাতে সিপিএম প্রতিবাদ মিছিল করে আটকে দেয় বুলডোজার। সৃজন জানান, ‘৮৮ সালের রায় অনুযায়ী, যাদবপুর, বাঘাযতীন অঞ্চলের যাঁরা ব্যবসায়ী আছেন বা যাঁদের ঝুপড়ি আছে, তাঁদের বাসস্থান শুধু নয়, বিকল্প কোনও কর্মসংস্থানের জায়গার ব্যবস্থা না করে এখান থেকে সরানো যাবে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক