দমদমে মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বিধায়কের উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে উঠল ‘বিজেপি জিন্দাবাদ’ স্লোগান। আর সেই স্লোগান শুনেই চটলেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই জন্য তিনি সকলের সামনে দলের তরফে ক্ষমাও চেয়ে নেন। শমীক জানান, বিধায়কের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘বিজেপি জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেওয়া উচিত হয়নি। কারণ বিধায়ক সবার। যাঁরা তাঁকে ভোট দিয়েছেন শুধুমাত্র তাঁদের বিধায়ক নন। তাই বিধায়কের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজেপি জিন্দাবাদ স্লোগান দেওয়া উচিত হয়নি।
এদিন দমদমের অনুষ্ঠানে উত্তর কুমারের ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন শমীক। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন বিজেপি জিন্দাবাদ স্লোগান দেন। এরপর অনুষ্ঠান চলাকালীন শমীক বলেন, “উত্তম কুমারকে বিজেপি বানাতে আসিনি। কেউ কেউ এখানে বিজেপি জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিলেন, ওঠা ভুল করেছে। অনুষ্ঠানটি বিধায়ক করছেন। পদ্মফুল প্রতীক চিহ্নে বিধায়ক হওয়ার পর উনি সকলের। যাঁরা ওঁর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাঁদেরও।” এই ঘটনার জন্য তিনি দলের তরফে ক্ষমাও চেয়ে নেন।
আরও পড়ুন:
এদিন মহানায়ক স্মরণের আগে বিধাননগরে আয়োজিত একটি রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়েছিলেন শমীক। সেখান থেকে তিনি দুর্গাপুজোর পরিবর্তে শারদীয়া উৎসব শব্দ ব্যবহার করার জন্য বিগত সরকারকে তোপ দাগেন। তাঁর দাবি, এই সব চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধেই বাংলার মানুষ বিজেপিকে জিতিয়েছে। তিনি আরও বলেন, কলকাতা ও গ্রামের দুর্গাপুজোর মধ্যে অনেক পার্থক্য। মা দুর্গার বিসর্জন নদীর বদলে পুকুরে হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদে ঢাক বাজানোও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, শমীক ‘হঠাৎ বিজেপি’দের জানিয়ে দেন, বিজেপির পতাকা নিয়ে ঘুরে পুরভোটে কাউন্সিলরের টিকিট পাওয়া যাবে—এমনটা যাঁরা ভাবছেন, তাঁরা ভুল করছেন। দল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা পূরণের মাধ্যম নয়। দল আগে, ব্যক্তি পরে। জয়ই একমাত্র লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গভীর রাতে আবাসনের সুইমিং পুলে ছাত্রীর দেহ! ‘খুন’ নাকি অন্য কিছু? তদন্তে পুলিশ
-
এবার শত্রুকে ‘অন্ধ’ করে আক্রমণ! ভারতীয় সেনার রণকৌশলে বিরাট বদল
-
সাগরেই লুকিয়ে ইউরেনিয়াম খনি! পরমাণু শক্তি বৃদ্ধিতে চিনের ‘কেমিক্যাল ফাঁদ’, টেক্কা আমেরিকাকে
-
ডেলিভারির আড়ালে বাইক চুরি! সিসিটিভি দেখে বেলঘরিয়ার ‘বান্টি-বাবলি’কে ধরল পুলিশ
-
পুলিশ হেফাজতেই সোমনাথের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! ফের হাজতে নির্মল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা