পুরসভা তৃণমূলের পার্টি অফিস বা ফিরহাদ হাকিমের বৈঠকখানা নয়, এখানে নিয়ম মেনে অধিবেশন ডাকতে হয়। শুক্রবার সকালে পুরসভায় তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে আয়োজিত সভা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এভাবেই ফুঁসে উঠলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। এই সভাকে ‘বেআইনি’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। প্রয়োজনে পুরসভা ভেঙে দেওয়ার ডাক দেন সজল। তাঁর প্রশ্ন, “অনাস্থা আনলে মেয়র বাঁচাতে পারবেন তো?” পুরসভায় তৃণমূলের কাউন্সিলরদের নিয়ে নাটক হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আজ, শুক্রবার পুরসভার মাসিক অধিবেশন হওয়ার কথা ছিল। আগেই বাতিল হয়েছিল মেয়র পারিষদের বৈঠক। পরে পুরসভার মাসিক অধিবেশনও স্থগিতাদেশের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সকালে তৃণমূল কাউন্সিলররা পুরসভায় হাজির হন। কিন্তু কাউন্সিলররা এলেও তালাবন্ধ অধিবেশন কক্ষে তাঁরা ঢুকতে পারেননি। পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় ঘর খুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও ঘর খোলা হয়নি বলে অভিযোগ। এরপর অধিবেশন কক্ষের বাইরেই তৃণমূল কাউন্সিলরদের সঙ্গে সভা করেন মালা রায় ও ফিরহাদ হাকিম। এই সভাকেই ‘বেআইনি’ বললেন সজল ঘোষ। শুক্রবার বিকেলে বিজেপি কাউন্সিলরদের নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, আজকের অধিবেশনে কোনও বিরোধীকে ডাকা হয়নি। এভাবে অধিবেশন ডাকা যায় না। বিরোধীদের না ডাকার উত্তর মেয়রকে দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন সজল।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও জানান, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে যাঁরা বিরোধীদের কণ্ঠরোধের কথা বলেন তাঁরা পুরসভায় সেই কথা মানছেন না। অধিবেশনে জাতীয় সঙ্গীত, এমনকী রাজ্য সঙ্গীত না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সজল। তাঁর কথায়, “এই বেআইনি কাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন মেয়র ও চেয়ারপার্সন। উত্তর না দিলে হাউস চলতে দেব না। এর আগে যতগুলো হাউজ ক্যানসেল হয়েছে, সেগুলি কে ক্যানসেল করতে বলেছিলেন? টক টু মেয়রের দিন হাউজ ডাকা হত। বিধানসভায় যাওয়ার জন্য হাউজ ক্যানসেল হত।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
গুরুত্ব বাড়ছে নতুন প্রজন্মের! এবার নন্দনে জেন জি চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন, কী বললেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’?
-
ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ, ফের পাক প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি গাভাসকর, কপিল-সহ ২১ প্রাক্তন অধিনায়কের
-
আনন্দপুরে পরিচারিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, ছুরির কোপ! ফিল্মি কায়দায় চলন্ত ট্রেন থেকে রাঁধুনীকে ধরল পুলিশ
-
বরফ কারখানার অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক! অসুস্থ শিশু-সহ কমপক্ষে ২৫, উত্তপ্ত হাড়োয়া
-
রাখিতে গেজেটপ্রেমী ভাই-বোনকে কী দেবেন ভাবছেন? রইল দারুণ গিফটের আইডিয়া