Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
TMC 21 July

একুশের সমাবেশে বিশেষ ব্যাজ ‘আসল’ তৃণমূলের! জমায়েতে এগিয়ে থাকতে কোন স্ট্র্যাটেজি সাজাচ্ছে ঋতব্রতরা?

২১ জুলাই গান্ধীমূর্তিতে যোগ দিতে আসা কর্মীদের 'নিরাপত্তা' দিতে বিশেষ 'ব্যাজ' দিচ্ছে ঋতব্রত শিবির।

কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৬:৩১

link
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৬:৩১

options
link
একুশের সমাবেশে বিশেষ ব্যাজ ‘আসল’ তৃণমূলের! জমায়েতে এগিয়ে থাকতে কোন স্ট্র্যাটেজি সাজাচ্ছে ঋতব্রতরা? zoom
একুশের সমাবেশ সফল করতে দফায় দফায় চলছে ঋতব্রতদের বৈঠক।
Advertisement

একুশে জুলাই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। এবার তৃণমূল বিধায়ক-জেলার নেতাদের পর ২১ জুলাই গান্ধীমূর্তিতে যোগ দিতে আসা কর্মীদের ‘নিরাপত্তা’ দিতে বিশেষ ‘ব্যাজ’ দিচ্ছে ঋতব্রত শিবির। ইতিমধ্যেই সমাবেশ সফল করতে দফায় দফায় চলছে বৈঠক। ফিরহাদ-অরূপ-সন্দীপনদের নেতৃত্বে একাধিক বৈঠকে সাজানো হচ্ছে আসল-তৃণমূলের রণকৌশল।

আসল তৃণমূলের বৈঠকে স্থির হয়েছে, জেলার পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে কর্মীরা যখন গান্ধীমূর্তির কর্মসূচিতে আসবে, তখন রাস্তায় পুলিশ বা অন্য কেউ যাতে কোনওরকম “হেনস্তা না করতে পারে সেই লক্ষ্যে এই বিশেষ পরিচয়পত্র বা ব্যাজ দিচ্ছে ‘আসল তৃণমূল’। শুক্রবার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে বসে বিভিন্ন জেলায় দলীয় বিধায়ক ও জেলা সভাপতিদের ব্যাজ বণ্টনের পাশাপাশি কালীঘাট তৃণমূলকে বারা দেওয়ার নানা কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। অন্যদিকে ভাঙন কিছুতেই থামছে না, বরং ২১ জুলাইয়ের আগে আরও বড়মাপের ধস নামছে কালীঘাট-তৃণমূলে।

Advertisement

এদিকে প্রকাশ্যে না আনলেও একুশে জুলাই যে দুপক্ষেরই শক্তি প্রদর্শনের লড়াই, সে সম্পর্কে কৌশল সাজাচ্ছে দুই শিবিরই। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মমতা বিড়লা প্যানেটোরিয়ামের সামনে একুশে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে মমতা-শিবির। আদালতের নির্দেশ আড়াই হাজারের বেশি জমায়েত করা যাবে না সেখানে। তবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ঋতব্রতদের সভায় তেমনই কোনও বিধিনিষেধ নেই।

সূত্রের খবর, সোশ্যাল জমায়েতে জোড় দিচ্ছে কালীঘাট শিবির। নব তৃণমূলের লক্ষ্য ভিড়। ইতিমধ্যেই ওয়ার্কিং কমিটি-সহ সব বিধায়কদের ও জেলা নেতাদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক সারছেন ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)-সন্দীপন সাহা-অরূপ রায়-ফিরহাদ হাকিম-চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা। সেখানেই ব্যাজ বিলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এর ফলে একদিকে সহজেই বোঝা যাবে , তেমনই সভাস্থলে যেতে যাতে কেউ না আটকায়। অন্যদিকে কালীঘাট শিবির প্রতীক নিয়েই সভায় পৌঁছনোর বার্তা দেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.