পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে সিন্ডিকেট নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ সামনে এসেছে! এমনকী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই বিষয়ে একাধিকবার কড়া বার্তা দিতে হয়েছে। তারপরও বন্ধ হয়নি সেই দুর্নীতি। বরং তৃণমূলের প্রভাবশালীদের অঙ্গুলিহেলনে সবটাই চলছিল রমরমিয়ে। আইনকে সম্পূর্ণ বুড়ো আঙুল দেখিয়েই কারবার চলত বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে ইতিমধ্যেই। এবার সমাজমাধ্যমে একটি ভাইরাল অডিও ঘিরে তৈরি হল বিতর্ক। ওই অডিওতে বালির সিন্ডিকেট-বখরা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে একাংশের অনুমান। যদিও সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। তা নিয়ে বিতর্ক হতেই বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়ে ভবানী ভবনে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তাঁর দাবি, ভাইরাল অডিওতে বালির সিন্ডিকেট নিয়ে আলোচনা করতে শোনা যাচ্ছে। এই পুরো ঘটনার পিছনে রাজ্যের প্রাক্তন এক মন্ত্রী জড়িত বলেও দাবি বিরোধী দলনেতার। এমনকী নাম না করে বর্ধমান-দুর্গাপুরের কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদকেও তোপ দাগেন তিনি।
যদিও এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি কীর্তির। তাঁর কথায়, ”এই বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। আমার বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
বুধবার এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বিতর্কিত ওই অডিও শুনিয়ে তিনি দাবি করেন, ”বালির বখরা নিয়ে আলোচনা চলছে। যদিও এটার সত্যতা যাচাই করার ক্ষমতা আমার নেই। এটা ফরেনসিকের যাচাই করার ক্ষমতা রয়েছে। আমি ভবানীভবনে দিয়েছি। প্রভাবশালীর উচিৎ প্রভাবশালী কেউ আছেন কি না, খতিয়ে দেখা।” এমনকী ভাইরাল অডিও ক্লিপটি আগামিদিনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, সিবিআইকেও দেবেন বলে জানান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী লোকসভার অধ্যক্ষকেও ভাইরাল ওইkirti অডিও ক্লিপ শোনানোর কথা বলেন তিনি।
বিরোধী দলনেতার কথায়, ”রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম আছে সম্ভবত। তবে এর মধ্যে একটা গলা খুব চেনা। সম্ভবত ওটা এক সাংসদের গলা। এরা সব নিজেদের সততার প্রতীক বলে দাবি করেন। সিন্ডিকেট অপারেট করবে কী করে? সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।” এরপরই নাম না করে কীর্তিকে আক্রমণ শানিয়ে ঋতব্রত বলেন, “এনার গলা গতকাল বর্ধমানে এক সাংবাদিক সম্মেলনে শোনা গিয়েছে। ঘটনাচক্রে তিনি আবার নিজেকে বলেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের ক্রিকেটার। সাত টেস্টে ১৩৫ রান, গড় ১১, ২৪ সর্বাধিক। ওয়ান ডে-তে ২৬৯ রান করেন। ১০ উইকেট নিয়েছেন সব মিলিয়ে। এই সিন্ডিকেট তোলাবাজি, কাটমানি, বখরা মারাত্মক। আমার আবেদন, প্রয়োজনে যাদের গলা শোনা যাচ্ছে তাদের ডাকা হোক।” যদিও এই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি কীর্তির। তাঁর কথায়, ”এই বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। আমার বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” এমনকী ভাইরাল অডিওটি এআই দিয়ে তৈরি বলেও দাবি সাংসদের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!