স্টাফ রিপোর্টার: শহরের মানুষের অসময়ের সঙ্গী সে। শহরের রাস্তায় জল জমলে উত্তর কলকাতায় তার খোঁজ পড়ে, জল পার করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু বাকি সময় যেন ব্রাত্যই। শহর থেকে যেমন উঠে যেতে বসেছে ট্রাম, হলুদ ট্যাক্সি, তেমনই হাতে টানা রিকশা। আসলে এটা ‘কলকাতা’র ছবিও।
পুরনো কলকাতা বিশেষত, উত্তর ও মধ্য কলকাতার অলিগলি, চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, কলেজ স্ট্রিট, বউবাজার, শ্যামপুকুর অঞ্চলে এখনও টিকে আছে হাতে টানা রিকশা। ভবানীপুরের দিকেও মাঝে মাঝে দেখা রোজগার খুব একটা নেই বলে বিকল্প জীবিকার সন্ধানে তাঁরা। পরিবহণের এই মাধ্যম এখন বিপন্ন। অস্তিত্ব সঙ্কটের সেই কথা জানিয়ে এ বার রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি দিল হাতে টানা রিকশাচালকদের সংগঠন। চাইছেন বিকল্প কোনও পেশা। সম্প্রতি হাতে টানা রিকশা চালকদের ইউনিয়ন ‘অল বেঙ্গল রিকশা ইউনিয়ন’-এর তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বহু বছর আগেই কলকাতায় হাতে টানা রিকশার লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। কিন্তু বহু চালক এখনও তাঁদের এই পুরনো পেশাতেই রয়ে গিয়েছেন। ই-রিকশা নিয়ে আলোচনা হলেও বাস্তবায়িত হয়নি বলেই জানাচ্ছেন সংগঠনের সদস্যরা। এই রিকশা সংগঠনের তরফে চিঠিতে দাবি, এই মুহূর্তে প্রায় ৬ হাজার হাতে টানা রিকশাচালক। অবিলম্বে তাঁদের পেশাকে উন্নীত করার পাশাপাশি নতুন করে আয় বাড়ানোর বন্দোবস্ত করা হোক। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথাও উল্লেখ করা হয় যেখানে মহারাষ্ট্র সরকারকে সর্বোচ্চ আদালত হাতে টানা রিকশাগুলিকে ই-রিকশায় রূপান্তরিত করতে বলেছিল।
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার