Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

নিয়ম মেনে আবেদন সত্ত্বেও উড়তে বাধা! অভিষেকের হেলিকপ্টার জটিলতার নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

অভিষেক বুঝিয়ে দিলেন, চক্রান্ত করে তাঁকে রোখা যাবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৮:১৭

options
link
নিয়ম মেনে আবেদন সত্ত্বেও উড়তে বাধা! অভিষেকের হেলিকপ্টার জটিলতার নেপথ্যে কোন অঙ্ক? zoom

কৃষ্ণকুমার দাস ও ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: নিয়ম মেনে উড়ানের আবেদন সত্ত্বেও কপ্টার ওড়ানোর অনুমতি দেয়নি DGCA। এনিয়ে হাজারও জটিলতার পর আকাশপথেই রামপুরহাটবাসীর কাছে পৌঁছেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কিন্তু অভিষেকের কপ্টারকে কেন অনুমতি দেওয়া হল না? তা নিয়ে প্রশ্ন সর্বত্র। কারও দাবি, নেপথ্যে রাজনীতি। আবার যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার সম্ভাবনার তত্ত্বও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ঠিক কী কারণে জটিলতা, তা এখনও ধোঁয়াশা। সবকিছুর মাঝেই অভিষেক বুঝিয়ে দিলেন, কোনওভাবেই তাঁকে আটকে রাখা যাবে না। মানুষের জন্য যতটা পথ পাড়ি দিতে হয়, তিনি দেবেন। বুঝিয়ে দিলেন, কথা দিলে তিনি তা রাখতে জানেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তিনি যে হেলিকপ্টারে সফর করেন তা ডবল ইঞ্জিন হয়। এক্ষেত্রে ওড়ার ৭২ ঘণ্টা আগে অনুমতি নিতে হয়। পাইলটের আসনে কে থাকবেন, তাঁর অভিজ্ঞতা কতদিনের, কপ্টারে আর কে কে থাকবে- এহেন একাধিক তথ্য জানিয়ে অনুমতির জন্য আবেদন করতে হয়। সময় জানিয়ে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে স্লট বুক করতে হয়। এরপর আবহাওয়া-সহ যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখে অসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তর (DGCA)। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিকিউরিটি এজেন্সি জানায়, কোন পথে এগোতে হবে কপ্টারকে। এক্ষেত্রেও নিয়ম মেনেই আবেদন জানানো হয় সাংসদের তরফে। জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় ডিজিসিএ’র সবুজ সংকেত দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোনও কারণ না দেখিয়েই জানানো হয় উড়ানের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

Advertisement

গুঞ্জন ওঠে, অনুমতি জটিলতার নেপথ্যে বিজেপি। পরিকল্পনামাফিক নাকি অভিষেকের সভা ভেস্তে দিতে চেয়েছে পদ্মশিবির। সেসবকে গুরুত্ব না দিয়েই উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগান ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। যোগাযোগ করেন ঝাড়খণ্ড সরকারের সঙ্গে। কপ্টার জটিলতার কথা জানিয়ে তাঁদের সহযোগিতার আর্জি জানান। সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়ায় তাঁরা। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঝাড়খণ্ড থেকে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে পাঠানো হয় কপ্টার। কিন্তু চাইলেই যে কোনও কপ্টার ব্যবহার করতে পারেন ভিভিআইপি’রা? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান তাঁদের হেলিকপ্টার বিশেষ প্রযুক্তির। এক্ষেত্রে নিয়ম হল, অভিষেক যে কোম্পানি ও যে বিশেষ বৈশিষ্ট সম্পন্ন কপ্টার ব্যবহার করেন, অন্য কারও একই কপ্টার থাকলে তা তিনি চড়তে পারেন। সেই শর্ত মেনেই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কপ্টার নেন অভিষেক। উড়ে যান রামপুরহাটে।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, অনুমতি নিয়ে জটিলতার নেপথ্যে কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ। কিন্তু অন্য কপ্টারকে অনুমতি দেওয়ায় চক্রান্তের তত্ত্বেই সিলমোহর পড়েছে বলে দাবি তৃণমূলের। তবে অভিষেকের যে কপ্টারে সফর করার কথা ছিল, সেটিতে কোনওরকম যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল কি না তা জানা যায়নি। এবিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি অসামরিক বিমান পরিবহন দপ্তর। তবে DGCA জানায়, অভিষেকের নিরাপত্তাই তাঁদের কাছে মূল। কারণ যাই হোক না কেন, অভিষেক আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন তৃণমূলের বিকল্প নেই। কথা দিলে, তা তাঁরা রাখেন। সম্প্রতি তাহেরপুরে সভা করার উদ্দেশে কলকাতা এলেও আবহাওয়ার কারণে সভাস্থলে পৌঁছতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি যাওয়ার জন্য বিশেষ চেষ্টাও করেননি। বরং ভারচুয়াল বার্তা দিয়েই ফিরে গিয়েছিলেন। কিন্তু মা-মাটি-মানুষের সরকার যে সত্যিই মানুষের কথা ভাবে, প্রতিশ্রুতি দিলে তা পূরণ করে, তা বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.