তিনদিনেই স্বস্তি! সাম্প্রদায়িক অশান্তি মামলায় এনআইএ আদালতে জামিন পেলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের কাউন্সিলর স্বামী সাকির আলি। শুক্রবার এই মামলায় এনআইএ আদালত শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে। নিয়মিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে তাঁকে হাজিরা দিতে হবে এবং রাজ্যের বাইরে যেতে হলে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। আপাতত এমনই কয়েকটি শর্তে সাকির আলির জামিন মিলেছে বলে খবর। গত মঙ্গলবার তাঁকে এনআইএ আধিকারিকরা গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় তদন্তকারীদের বাধা দিতে জনরোষ আছড়ে পড়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ছিল, যে সাম্প্রদায়িক অশান্তিতে উসকানির অভিযোগে সাকির আলিকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তা মিথ্যা অভিযোগ। তিনি দাঙ্গা থেকে এলাকাবাসীকে বাঁচিয়েছেন।
২০২৩ সালে রামনবমীর দিন এক বড় অশান্তি মামলায় রিষড়া (Rishra) পুরসভার কাউন্সিলর সাকির আলির (Sakir Ali) বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল এনআইএ। অভিযোগ, তিনি সাম্প্রদায়িক অশান্তিতে লাগাতার উসকানি দিয়েছেন। তাই গ্রেপ্তারির জন্য মঙ্গলবার রিষড়ার গান্ধী সড়কে তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন এনআইএ আধিকারিকরা। সাকির আলিকে গ্রেপ্তারির সময় জনরোষ আছড়ে পড়েছিল এনআইএ-র বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা জানান যে সেসময় অশান্তিতে উসকানি নয়, গোটা পাড়াকে বুঝিয়ে শান্ত করে দাঙ্গা থেকে তাঁদের বাঁচিয়েছিলেন সাকির আলি।
আরও পড়ুন:
সাকির আলির আইনজীবী জানান, ‘‘ওঁর ক্যানসার বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তার চিকিৎসা চলছে, নিয়মিত বেশ কিছু পরীক্ষা করতে হয়, শরীরে অক্সিজেন চলাচলে সমস্যা আছে। এছাড়া এনআইএ তাঁকে দু’বার ডেকেছিল, তিনি হাজিরা দিয়েছেন। সহযোগিতা করেছেন। এসব দেখে বিচারক তাঁকে জামিন দিয়েছেন। তবে শর্ত রয়েছে বেশ কিছু। এই মামলায় তদন্তের স্বার্থে ১৫ দিন পরপর এনআইএ-র অফিসে হাজিরা দিতে হবে, আদালতের অনুমতি ছাড়া রাজ্যের বাইরে যাওয়া যাবে না। সব কাগজপত্র রেডি থাকলে আমরা দ্রুতই তাঁকে জেল থেকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারব বলে আশা করি।”
গ্রেপ্তারির পর অবশ্য তৃণমূল কাউন্সিলর নিজের শারীরিক অসুস্থতার যুক্তি দেখিয়ে জামিনের আবেদন জানান। প্রথমবার তা খারিজ হলেও শুক্রবার এনআইএ আদালত শর্তসাপেক্ষে জামিন মঞ্জুর করে। সাকির আলির আইনজীবী জানান, ‘‘ওঁর ক্যানসার বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তার চিকিৎসা চলছে, নিয়মিত বেশ কিছু পরীক্ষা করতে হয়, শরীরে অক্সিজেন চলাচলে সমস্যা আছে। এছাড়া এনআইএ তাঁকে দু’বার ডেকেছিল, তিনি হাজিরা দিয়েছেন। সহযোগিতা করেছেন। এসব দেখে বিচারক তাঁকে জামিন দিয়েছেন। তবে শর্ত রয়েছে বেশ কিছু। এই মামলায় তদন্তের স্বার্থে ১৫ দিন পরপর এনআইএ-র অফিসে হাজিরা দিতে হবে, আদালতের অনুমতি ছাড়া রাজ্যের বাইরে যাওয়া যাবে না। সব কাগজপত্র রেডি থাকলে আমরা দ্রুতই তাঁকে জেল থেকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারব বলে আশা করি।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মেদ ঝরাতে কিনোয়া কিনেছেন, অথচ রান্নার পদ্ধতি জানেন না? রইল ৫ সহজ রেসিপি
-
নুনের বদলে সাবান গুঁড়ো! বিহারের স্কুলে মিড-ডে মিল খেয়ে অসুস্থ ৩৪ পড়ুয়া
-
পরিবেশের বন্ধু হতে চান? কেনার বদলে কাগজ-কাপড়ে বানিয়ে নিন রাখি, রইল ৪ অভিনব আইডিয়া
-
শেয়ার বাজারে ভয়? ৫০ লাখের এফডিতে ৫ বছরেই মিলবে বিপুল রিটার্ন!
-
চার্চিলে খেলতে চাইছেন না প্রণয়রা, জামশেদপুর ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন ফুটবলাররা