পালাবদলের বাংলায় বিরাট ঘোষণা বিজেপি সরকারের। পশ্চিমবঙ্গকে সুরক্ষিত করতে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু সরকারের। আজ, বুধবার থেকেই কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে ‘পুশব্যাক’ আইন কার্যকর রাজ্যে। এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অনুপ্রবেশকারী হঠাতে ২০২৫ সালেই রাজ্যকে চিঠি দেয় কেন্দ্র। সেই নির্দেশিকা মানেনি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। এবার জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই আজ থেকে সেই আইন বলবৎ করল রাজ্য সরকার।
এই বিষয়ে আরও খবর
শুভেন্দু (CM Suvendu Adhikari) জানান, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। তারপর প্রটোকল মেনে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) হাতে অনুপ্রবেশকারীদের তুলে দেবে বিএসএফ। এর ফলে দ্রুত ‘ঘুসপেটিয়া’দের বাংলা থেকে তাড়ানো যাবে।
শুভেন্দু আরও বলেন, “সিএএ-র অন্তর্ভুক্ত ৭টি কমিউনিটি বা ধর্ম পালন করা লোকেরা তাঁরা সিএএ অনুযায়ী আওতায় আসবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারত তথা বাংলায় এসেছেন তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না।”
তবে লক্ষ্যণীয় ভাবে, বাংলাদেশ থেকে আগত মতুয়া জনগোষ্ঠীর অনেকের মনেই শঙ্কা রয়েছে। অনেকেই ভাবছেন তাঁদেরও কি বাংলা থেকে চলে যেতে হবে? এ দিন অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, সিএএ-র আওতায় কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের বিতাড়িত করা হবে না। তাঁরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের নাগিরকত্ব পাবেন।
শুভেন্দু (CM Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “সিএএ-র অন্তর্ভুক্ত ৭টি কমিউনিটি বা ধর্ম পালন করা লোকেরা তাঁরা সিএএ অনুযায়ী আওতায় আসবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারত তথা বাংলায় এসেছেন তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না। সিএএ-র আত্ততায় যারা নেই তারা পুরোপুরি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। তাদের পুলিশ আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেবে। বিএসএফ আইন অনুযায়ী, বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে তাদেরকে বিতাড়িত করবে। এই আইন আজ থেকে কার্যকর করা হল।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
একবার ভিজলেই দফারফা! বর্ষায় চামড়ার জুতোর যত্ন নেবেন কীভাবে?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার মুখে টিম ইন্ডিয়া, সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে সুযোগ পাবে বৈভব?
-
এবার কলকাতার রাস্তা হকারমুক্ত হবে? বড় ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের
-
এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার
-
জগন্নাথের মতোই স্নানযাত্রা কালীঘাটেও, জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমায় মিলল শাক্ত-বৈষ্ণব ধারা



