গোবিন্দ রায়: কলকাতা হাই কোর্টের প্রাথমিক নির্দেশের পরেও বিকাশভবনের সামনে থেকে সরলেন না আন্দোলনকারী শিক্ষকরা। এদিকে আন্দোলনে লাগাম চেয়ে বৃহস্পতিবার জোরালো সওয়াল করা হয় রাজ্যের তরফে। তার প্রেক্ষিতে রাজ্যকে লিখিত আবেদনের নির্দেশ দেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। শুক্রবার এই মামলার শুনানি রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজ্যের বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আন্দোলনের জেরে বিধাননগরের ওই এলাকায় অন্তত ৫৫ টি সরকারি দফতরে কাজকর্মের অসুবিধা হচ্ছে। বিধাননগরে থাকেন একাধিক আইনজীবী আমাকে জানিয়েছে, তাদের অসুবিধা হচ্ছে। অবিলম্বে আন্দোলনকারীদের ওখান থেকে সরিয়ে জায়গা ফাঁকা করার নির্দেশ দিক আদালত।”
একইসঙ্গে, মামলাকারী সুদীপ কোনার একজন গ্রুপ-ডি স্টাফ। সে শিক্ষকদের আন্দোলনে কি করছিল, প্রশ্ন তুলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, “আন্দোলনকারীরা বিকাশভবন তছনছ করেছে। এঁদের হাতে আক্রান্ত হয়ে ১৯ জন পুলিশ কর্মী খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে।” যদিও মামলাকারী সুদীপ কোনার ও ইন্দজিৎ মণ্ডলের তরফে আইনজীবী সুদীপ্ত মৈত্র আদালতে আবেদন জানান, আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেওয়া হোক এবং মামলা ফের হাই কোর্টের গ্রীষ্মাবকাশের পরে জুন মাসে শোনা হোক। যদিও বিচারপতি ঘোষ জানিয়েছেন, শুক্রবার তিনি পুলিশের দেওয়া নথি খতিয়ে দেখে নির্দেশ দেবেন। শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
সর্বশেষ খবর
-
‘ইসলামই শ্রেষ্ঠ’, মন্তব্য কর্নাটকের মন্ত্রীর, হিন্দু ধর্মকে হেয় করার অভিযোগ বিজেপির
-
ঠোঁটে সারাক্ষণ কৃষ্ণনাম, সাধু বেশে আশ্রয় নিয়ে একের পর এক মঠে লুট! তারপর…
-
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়
-
পাথর হয়েছিল পিত্তথলিতে, অস্ত্রোপচার হল অ্যাপেনডিক্স! কাঠগড়ায় এনআরএস হাসপাতাল
-
হবু স্ত্রী ইউরোপের রাজকন্যা! বিলাওয়াল ভুট্টোর বিয়ে নিয়ে জল্পনা, কী বলছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি?