Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Kunal Ghosh

অধ্যক্ষকে ‘অপমানে’ কুণালের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস, ‘অসম্মান করিনি’, দুঃখপ্রকাশ বেলেঘাটার বিধায়কের

গত দু'দিন ধরে কুণাল ঘোষের আচরণে বিধানসভায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বুধবার বিধানসভা অধিবেশন থেকে সাসপেন্ডও হন বেলেঘাটার বিধায়ক।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৪:৩৫

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১৪:৩৫

options
link
অধ্যক্ষকে ‘অপমানে’ কুণালের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস, ‘অসম্মান করিনি’, দুঃখপ্রকাশ বেলেঘাটার বিধায়কের zoom
কুণাল ঘোষকে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস শংকর ঘোষের। ফাইল ছবি
Advertisement

পরপর দু’দিন বিধানসভার স্পিকারের চেয়ারকে অপমানের অভিযোগ। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনলেন পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ। তাঁর দাবি, বিধায়কের আচরণ অত্যন্ত নিন্দাজনক। শংকর ঘোষের আনা স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস গ্রহণ করা হয়েছে বলেই জানান অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ। গত দু’দিনের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

গত দু’দিন ধরে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে বিধানসভায় জটিলতা তৈরি হয়। বুধবার নাম থাকা সত্ত্বেও বলতে না দেওয়ার অভিযোগে সরব হন কুণাল ঘোষ। বিধানসভায় রীতিমতো ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে বুধবার সাসপেন্ড করা হয় কুণালকে। তাঁকে মার্শাল ডেকে বের করে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার রেশ ধরেই বৃহস্পতিবার ফের উত্তাল হয়ে ওঠে বিধানসভা। অধিবেশন শুরুর পরই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় স্পিকারকে বলেন, “গতকালের ঘটনা নিয়ে আমার কিছু বলার আছে।” পালটা স্পিকার বলেন, “কী আবার বলবেন? গতকালের ঘটনা অত্যন্ত কলঙ্কজনক।” এতেই ক্ষুব্ধ হয় ‘কালীঘাট তৃণমূল’। ‘কলঙ্কজনক’ শব্দটির তীব্র প্রতিবাদ করে তাঁরা। এই অশান্তির জেরে শুক্রবার বিধানসভায় স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস আনেন পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ।

Advertisement

পালটা কুণাল ঘোষ বলেন, “আমি প্রথমেই বলি আপনার চেয়ারকে অসম্মান করিনি। আপনার যদি মনে হয়, আমি অসম্মান করেছি চেয়ারকে। তাহলে আমি দুঃখিত। আমিও এখানে নির্বাচিত হয়ে এসেছি। আমিও বলতে চাই। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলাম। আমরা ঘর চেয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে দেখতে বলেন। আমরা বলার সময় চাই। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে সেটাও দেখতে বলেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আমাদের বিরোধী দলনেতা, আমাদের নাম পাঠান আখরুজ্জামানকে। তা সত্ত্বেও আমাকে বলতে দেওয়া হয়নি। ওঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সমস্যা নেই। প্রতীকী প্রতিবাদ আমি করেছি। আপনাকে অসম্মান করিনি। অপব্যাখ্যা করে চাপিয়ে দিলে হবে না।” শংকর ঘোষের আনা স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস গ্রহণ করা হয়েছে বলেই জানান অধ্যক্ষ রথীন্দ্র ঘোষ। ‘কালীঘাট তৃণমূল’ এবং ঋতব্রত শিবিরের জটিলতা নিজেদের মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলেন স্পিকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.