Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
SSKM case

এসএসকেএম কাণ্ডে ধর্ষণ ও পকসো আইনে মামলা রুজু পুলিশের, ৪ নম্ভেবর পর্যন্ত হেফাজতের আবেদন

নেওয়া হবে নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ১৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ১৯:৫০

options
link
এসএসকেএম কাণ্ডে ধর্ষণ ও পকসো আইনে মামলা রুজু পুলিশের, ৪ নম্ভেবর পর্যন্ত হেফাজতের আবেদন zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: এসএসকেএম কাণ্ডে ধর্ষণের ধারা যোগ করল পুলিশ। পকসো আইনেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। সঙ্গে প্রতারণার ধারাও যোগ করেছে ভবানীপুর থানা। কারণ, ধৃত পরিচয় গোপন করে নিজেকে শিশু বিশেষজ্ঞ বলে পরিচয় দেয়। তারপর নাবালিকা ‘ফুঁসলিয়ে’ নিয়ে অপরাধ করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। সঙ্গে নাবালিকা ও অভিযুক্তের মেডিক্যাল পরীক্ষা করার কথা বলেছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে আজ, শুক্রবার রাতের মধ্যেই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হবে।

পুলিশ আদালতে জানিয়েছে, ২২ অক্টোবর বুধবার নাবালিকা মা ও দাদুর সঙ্গে এসএসকেএম হাসপাতালের মানসিক রোগ সংক্রান্ত বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসে। অভিযোগ দুপুর ১টা ৫০ নাগাদ অভিযুক্ত অমিত মল্লিক হাসপাতালের পোশাক পরে আসেন। নাবালিকার কাছে নিজেকে এসএসকেএমের চাইল্ড স্পেশালিস্ট বলে পরিচয় দেন। তারপর নাবালিকাকে  শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে নির্যাতন চালায়। পুলিশের দাবি, নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে স্পর্শের পাশাপাশি বলপূর্বক ‘যোনিচ্ছেদ’ করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে।

Advertisement

কীভাবে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে তাও বর্ণনা করেছে পুলিশ। অভিযোগ পাওয়ার পর এসএসকেএম হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তারপর সোর্স মারফত খবর পেয়ে ২২ তারিখ রাতে প্রগতি ময়দান থানার অন্তর্গত ২ নম্বর ধাপা রোডের মল্লিক পাড়ার বাসিন্দা অমিতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তের সঙ্গে এসএসকেএম হাসপাতালের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এই তথ্য তুলে ধরে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ধৃতের পুলিশি হেফাজতের দাবি করেছে তদন্তকারীরা।

সূত্রের খবর, এই ঘটনা পর নবান্নে জরুরি বৈঠক ডেকেছে মুখ্যসচিব। জানা গিয়েছে, হাসপাতাগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক করা হবে। এদিকে এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্যভবন। ট্রমা কেয়ারের মতো বিভাগে ওয়ার্ডের ভিতরে অভিযুক্ত কীভাবে ঢুকল? কীভাবেই বা ঘটল ওই ঘটনা? এসএসকেএমের এমএসভিপির কাছে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।  পুরো ঘটনার সত্যতাই বা কী? সবটা জানতে রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্যভবন। সূত্রের খবর, স্বাস্থ্যসচিব নিজে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চান। পুরো ঘটনার বিবরণ চেয়ে এমএসভিপিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.