Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kasba

মূল অভিযুক্ত মনোজিৎই! কসবা কাণ্ডে ৫৮ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করল পুলিশ

শনিবার আলিপুর আদালতে ৬৫০ পাতার চার্জশিট জমা পড়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৫, ১৮:০৩

options
link
মূল অভিযুক্ত মনোজিৎই! কসবা কাণ্ডে ৫৮ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করল পুলিশ zoom
ফাইল ছবি

নিরুফা খাতুন: কসবা আইন কলেজে গণধর্ষণের মামলায় চার্জশিট পেশ করল পুলিশ। অভিযোগর তদন্ত শুরুর ৫৮ দিনের মাথায়, শনিবার আলিপুর আদালতে ৬৫০ পাতার চার্জশিট জমা পড়েছে। তাতে মূল অভিযোগ হিসেবে নাম রয়েছে মনোজিৎ মিশ্র-সহ চারজনের। গণধর্ষণ, প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ছাড়াও তথ্য-প্রযুক্তি আইনে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে বলে খবর।আরও জানা গিয়েছে, চার্জশিটে ৮০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের কথা উল্লেখ রয়েছে। দেওয়া হয়েছে ডিএনএ ও ফরেনসিক রিপোর্ট। 

জুন মাসের প্রথমদিকে কসবার আইন কলেজের মধ্যেই গণধর্ষণের অভিযোগ তোলেন এক ছাত্রী। কলেজের ছাত্র সংগঠনের প্রাক্তন নেতা মনোজিৎ মিশ্র ও তার সাগরেদদের বিরুদ্ধ অভিযোগ তোলা হয়। ওই দৃশ্য ভিডিও করে ব্ল্যাকমেলের অভিযোগও ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। পাশাপাশি, শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের সদস্য এতে জড়িত বলেও অভিযোগের আঙুল ওঠে। যদিও সেসময়ই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেওয়া হয় যে অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র কলেজ এবং ছাত্র সংগঠনের প্রাক্তনী। তাকে টিএমসিপি সাসপেন্ডও করেছে।

Advertisement

এই ঘটনার গোড়া থেকেই তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। এবার ঘটনার ৫৮ দিনের মাথায় চার্জশিট পেশ করা হল। জানা গিয়েছে, চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে মনোজিৎ মিশ্রর। এছাড়া প্রমিত মুখোপাধ‍্যায়, জেব আহমেদ এবং কলেজের নিরাপত্তারক্ষী পিনাকি বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের নাম রয়েছে অভিযুক্ত হিসেবে। ১৭০ পাতার চার্জশিট-সহ মোট ৬৫০ পাথার নথি জমা দিয়েছে পুলিশ। ফরেনসিক ও ডিএনএ রিপোর্টও দেওয়া হয়েছে। চার্জশিটে গণধর্ষণ, আটকে রেখে প্রাণে মেরে রাখার হুমকি, মোবাইল ফোনে ব্ল্যাকমেল করার জন্য রেকর্ডিং, এসব ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।এতে খানিকটা স্বস্তিতে নির্যাতিতা ছাত্রী ও তাঁর পরিবার। ধর্ষণ, গণধর্ষণের মতো নারীবিরোধী ঘটনা রুখতে রাজ্য সরকার ‘অপরাজিতা বিল’ এনেছে। কিন্তু রাজ্যপাল এখনও সই না করায় বিলটি কার্যকর হয়নি। এই আইন সংশোধন হলে আরও দ্রুত দোষীদের কঠোরতম শাস্তি হবে বলে আশাবাদী সকলে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.