Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Prashant Barman

সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণব্যবসায়ী খুনে চার্জশিট পুলিশের, নামই নেই অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের!

দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে হাত ছিল, এই অভিযোগ তুলে রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে নিহতের পরিবার।

Advertisement
ফারুক আলম
ফারুক আলম

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৬:৪১

link
ফারুক আলম
ফারুক আলম

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৬:৪১

options
link
সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণব্যবসায়ী খুনে চার্জশিট পুলিশের, নামই নেই অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের! zoom
রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন। ফাইল ছবি

সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ এবং খুনের মামলায় রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গতমাস অর্থাৎ ২৩ জানুয়ারির মধ্যেই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে বলেও নির্দেশে জানায় আদালত। কিন্তু এই নির্দেশের পর থেকেই বেপাত্তা প্রশান্ত বর্মন। পুলিশ নাকি তাঁর খোঁজ পাচ্ছে না! এর মধ্যেই বিধাননগর আদালতে স্বর্ণব্যবসায়ী খুনে চার্জশিট জমা দিল পুলিশ। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেই চার্জশিটে নাম নেই অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের! আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কে নিহত স্বর্ণব্যবসায়ীর পরিবার। 

দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে হাত ছিল, এই অভিযোগ তুলে রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে নিহতের পরিবার। তদন্তে নেমে খুনের ঘটনায় বিডিওর যোগ থাকার একাধিক তথ্য পুলিশের হাতে আসে। এমনকী ঘটনার দিন সিসিটিভি ফুটেজেও প্রশান্তকে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তদন্তে নেমে প্রাক্তন বিডিও ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু প্রশান্ত বর্মনের নাগাল পেতে হিমশিম খেতে হয় কার্যত তদন্তকারীদের। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন তিনি। নিম্ন আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।

Advertisement

পরে বিধানগর মহকুমা আদালতে হাজিরা দিলে আগাম জামিনও মেলে প্রশান্তর। কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সেই মামলায় প্রশান্ত বর্মনকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। আত্মসমর্পণ করতে হবে বলেও নির্দেশে জানানো হয়। কিন্তু সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর হয়নি। এরমধ্যেই বিডিও পদ খোয়াতে হয় প্রশান্ত বর্মনকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকেই নাকি ভিন রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই আজ বুধবার স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ এবং খুনের মামলায় বিধাননগর নিম্ন আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে বিধাননগর কমিশনারেট। আগামী ৬ তারিখ তা জমা পড়বে বারাসত আদালত। কিন্তু পুলিশের দেওয়া দেওয়া সেই চার্জশিটে দেখা যাচ্ছে ‘রহস্যজনকভাবে’ নাম নেই প্রশান্ত বর্মনের! তবে পাঁচ অভিযুক্তের নাম রয়েছে বলে খবর।  আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, আড়ালে থেকে এখনও প্রভাব খাটাচ্ছেন প্রশান্ত! আর সেই কারণেই এফআইআরে নাম থাকা সত্ত্বেও চার্জশিটে নাম বাদ! 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.