দু’দিনে ১৭৩০ রেস্তোরাঁ-খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থায় পরিদর্শন হয়েছে। তার মধ্যে ১৫২৫ টিতে পাওয়া গিয়েছে গণ্ডগোল! স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া তথ্য শিউড়ে ওঠার মতো। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ৯০১ টি রেস্তোরা থেকে স্যাম্পেল কালেক্ট করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে ৫ টি দোকানের লাইসেন্স। কিছুদিনের জন্য বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে ১৩ টি রেস্তোরাঁ।
শুধু খাবারের রেস্তোরা নয়, পাশাপাশি পানীয় জল কারখানাতেও নজর দিয়েছে রাজ্য সরকার। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর চলবে নজরদারি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, সমস্ত পানীয় জল কারখানা নিয়ম না মেনে পানীয় জল ‘প্যাজেকিং’ করছে অস্থায়ীভাবে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, খাবার-পানীয় জল পরীক্ষা করার জন্য বাংলাজুড়ে ত্রিশটি মোবাইল ল্যাবরেটরি ঘুরছে পাহাড় থেকে সমতল। সেই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা হচ্ছে কোথায় খাবার জলে ক্ষতিকর রাসয়নিক? কোথায় পানীয় জল অপরিস্কার। দু’টি ল্যাবরেটরি রয়েছে দার্জিলিং-এ। কলকাতার জন্য রয়েছে দু’টি।
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জানিয়ে নয়, চোরাগোপ্তা ভিজিটও হবে। মূল উদ্দেশ্য, জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা। যে খাবারটা আপনি খাচ্ছেন সেটা খেয়ে শরীর খারাপ যেন না হয় সেটার জন্যই এই পরিদর্শন। অপরিস্কার রান্নাঘর, প্রচুর বাসি মাছ-মাংস, খোলা ডাস্টবিন, মশলায় ছত্রাক, আধসেদ্ধ খাবার ফ্রিজে এই সমস্ত কারণের জন্য একাধিক রেস্তোরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। তার মধ্যে রয়েছে মালদার জাইকা রেস্টুরেন্ট, শ্রীকৃষ্ণ সুইট শপ। মধ্যমগ্রাম স্টার মলের রঙ দে বাসন্তি ধাবা, সেক্টর ফাইভের আরডিবি মলের ‘অ্যাবসুলুট বারবিকিউ নেশন’, মধ্যমগ্রামের জাস্ট বাঙালি রেস্তোরা, উত্তর ২৪ পরগনার ‘বারবিকিউ নেশন, সেক্টর থ্রি-র ‘চৌরাসিয়া চাটস’, পানিহাটির চাকনাওয়ালা, বহরমপুরের বিশ্বাস বেকারি, সেক্টর ফাইভের ‘মেসাস কাঠি রোল।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রুটি যেন কেউ খবরের কাগজে মুড়িয়ে বিক্রি না করে সেদিকে নজর রাখতে হবে। লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হলেও তা সবই সাময়িক বলেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেছেন, আমরা যা যা ব্যবস্থা নিতে বলেছি সেগুলো ঠিক করলে, তারপর ফের পরিদর্শন হবে। বন্ধ করা হয়েছে জলের রেস্তোরাও। মালদহে ছ’টি পানীয় জলের কারখানাকে আপাতত জল বিক্রি বন্ধ করতে বলা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে মা মনসা ওয়াটার প্ল্যান্ট, ঋত্বিকা ওয়াটার প্লান্ট, প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটার প্লান্ট, অ্যাকোয়াতারা ওয়াটার সার্ভিস। বন্ধ করা হয়েছে মালদার নিউ রাজেশ ভুজিয়া সেন্টারও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘নো এন্ট্রি’ অথচ শহরে ঢুকছে বেআইনি ট্রাক! পুলিশের জালে সিন্ডিকেটের পান্ডা, নেপথ্যে কারা?
-
চাল-গমের পাশাপাশি মিলবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও, রেশন দোকানগুলি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত
-
দুষ্টু মেসেজে আলাপ, ঘনিষ্ঠতা বাড়তেই ছাত্রের সঙ্গে উদ্দাম যৌনতা, ব্রেকআপের পর এ কী হল শিক্ষিকার!
-
রাত্রিবাস করেছিলেন মহানায়ক, ‘উত্তম’ স্মৃতি আগলে আজও নতু গ্রামের জমিদার বাড়ি
-
পুরভোটে স্ট্র্যাটেজি বদল সিপিএমের! জোট নিয়ে নিচুতলার কর্মীদের ‘স্বাধীনতা’ দিল আলিমুদ্দিন