পার্ক স্ট্রিটের (Park Street) ফুটপাথে দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের (Agnimitra Paul) ধমকের শিকার সীতা সরকারি আশ্রয়ে থাকতে রাজি হচ্ছেন না। যদিও বিতর্কের জেরে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে তাঁর সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আস্থা জানান মুখ্যমন্ত্রীর কথায়। তখনই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা পুরসভাকে আশ্রয়ের জন্য নির্দেশ দেন।
কিন্তু মঙ্গলবার থেকে পুরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে চেষ্টা করেও ফুটপাতবাসী সীতা ও তাঁর ছোট দুই মেয়েকে সরকারি আশ্রয়স্থলে থাকতে রাজি করাতে পারেনি। বেলেঘাটা ও রামমোহন রায় রোড, দুটি আশ্রয়ে নিয়ে গেলেও তিনি থাকতে চাননি। যদিও সীতার মেয়ে পূজা পুরসভার এই ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট হয়ে সরকারি আশ্রয়ে থেকে গিয়েছেন। কিন্তু কোথায় গেলেন সীতা ওরফে রশিদা এবং তাঁর ছোট দুই মেয়ে? যাঁর সঙ্গে বিজেপির সদর দপ্তরে সীতা গিয়েছিলেন, সেই বিধায়ক সজল ঘোষ জানান, “নিরাপদ আশ্রয়ে আছেন সীতা ও দুই মেয়ে। দলের কর্মীদের বাড়িতে আছেন।”
আরও পড়ুন:
বলে রাখা ভালো, দিন কয়েক আগে পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথে নাতির জন্য দুধ গরম করছিলেন বৃদ্ধা সীতাদেবী। যে কোনও মুহূর্তে বিপদ ঘটে যাওয়ার আশঙ্কায় তাঁকে সেই কাজে বাধা দেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তড়িঘড়ি দুধ গরম বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে প্রশ্ন করে জানতে পারেন, তাঁদের কোনও বাড়ি বা থাকার জায়গায় নেই। ৫০ বছর ধরে পার্ক স্ট্রিটের ফুটপাথই ঠিকানা। এই ভিডিও ভাইরাল হতে অনেকেই অগ্নিমিত্রা পালের মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পালটা ভিডিও বার্তায় সোমবার অগ্নিমিত্রা বলেন, “কোনও বাচ্চার মুখের দুধ কেড়ে নেওয়া হয়নি। সরে যেতে বলা হয়েছে। অনাবশ্যক সমালোচনার কোনও কারণ নেই। হ্যাঁ, আমার হয়তো বুঝিয়ে বলা উচিত ছিল।” গত সোমবার ফেসবুক লাইভে সেই ইস্যুতেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতেই মমতাকে একহাত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বেআইনি’ বিলবোর্ড খুলতে ক্যামাক স্ট্রিটে পুরসভা ও পুলিশ, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিষেক
-
যাদবপুরের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের ‘রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব’ বাড়াতে পদক্ষেপ, অনুষ্ঠানে কী বার্তা অর্থমন্ত্রীর?
-
৩৫০০ টাকার স্পেশাল প্যাকেজ, ইন্সটাগ্রামে নিজের ‘পর্ন’ ভিডিও বিক্রি মেয়ের, জেনেও চুপ ছিলেন বাবা!
-
সোনালের ‘লক্ষ্মণরেখা’ পেরতে পারল না ভারত, অবিশ্বাস্য লড়াইয়ে টেস্ট বাঁচাল শ্রীলঙ্কা
-
ভারতও পার পাবে না! হড়পা বানের হুঁশিয়ারি, প্রতিবেশীকে সতর্ক করে আর কী বার্তা নেপালের?