রাজ্যে এসআইআরের পর চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ, বিচারাধীন থাকা ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee’s Dharna)। তাঁর এই ধরনামঞ্চে যোগ দিয়েছেন অনেকেই। বিশিষ্ট ব্যক্তি থেকে শুরু করে ভুক্তভোগী সাধারণ ভোটার – সকলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে পাশে রয়েছেন। শুক্রবার দুপুর থেকে মেট্রো চ্যানেলের কাছে এই ধরনা শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা শনিবার পর্যন্ত চলবে বলে জানা গিয়েছে তৃণমূল সূত্রে। তবে বিকেলের দিকে তাল কাটল এসআইআর প্রতিবাদ মঞ্চে। নিজেদের দাবি আদায়ে এই মঞ্চে এসে পার্শ্বশিক্ষকদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপির নাম করেই অভিযোগ তুললেন, ”এদের এখানে কারা পাঠিয়েছে, জানি। এসবের পিছনে বিজেপি।”

আরও পড়ুন:
তবে বিকেলের দিকে তাল কাটল এসআইআর প্রতিবাদ মঞ্চে। নিজেদের দাবি আদায়ে এই মঞ্চে এসে পার্শ্বশিক্ষকদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপির নাম করেই অভিযোগ তুললেন, ”এদের এখানে কারা পাঠিয়েছে, জানি। এসবের পিছনে বিজেপি।”
দাবিপূরণে পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন নতুন নয়। শূন্যপদে নিয়োগ, বেতন বৃদ্ধি-সহ একাধিক দাবিতে এর আগেও পার্শ্বশিক্ষকরা একাধিকবার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। গত বছর তাঁদের সংগঠন ‘সমগ্র শিক্ষা বাঁচাও কমিটি’ নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ধর্মতলায়। পুলিশ তাঁদের আটকে দিলে হাতাহাতি শুরু হয়। তখনকার মতো পিছু হঠলেও পরে নানা সময়ে পার্শ্বশিক্ষকরা নানা সময়ে কখনও কালীঘাটে, কখনও শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। তবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইমঞ্চে গিয়ে যে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাবেন, তা ভাবা যায়নি।
বিকেল ৫টার পর আচমকাই তাঁদের একাংশ ধর্মতলার সেই মঞ্চে বিক্ষোভ শুরু করেন। মুখ্যমন্ত্রীর ধরনাস্থলে আঁটসাঁট পুলিশি নিরাপত্তার মাঝে এই ঘটনায় বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয় পুলিশ। এনিয়ে মমতার প্রতিক্রিয়া, “এটা এসব করার সময় নয়, মানুষ মরছে। বিজেপি মাইন্ডেড সব। এদের এখানে কারা পাঠিয়েছে জানি। এসবের পিছনে বিজেপি। মানুষ মারা গিয়েছে, তাঁদের জন্য আমরা এখানে এসেছি। জানি বাকিদেরও নানা সমস্যা আছে, দাবিও আছে। তার জন্য অন্য জায়গা আছে।” এরপরই তিনি বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বার্তা দেন, ”মোদি, শাহ আর ভ্যানিশ কুমারের কাছে যান।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অতি ঘনিষ্ঠতাতেই ভাঙছে সেতু! সম্পর্ক বাঁচাতে দূরত্ব প্রয়োজন, বলছেন মনোবিদরা
-
একমাসে দু’বার মাইনে! অভিনব আইডিয়া উদ্যোগপতির, কতটা উপকৃত হবেন কর্মীরা?
-
ফেডারেশনের বৈঠকে ইট থেকে ডিমবৃষ্টি, টলিপাড়ায় ধুন্ধুমারে কাকে দায়ী করলেন রুদ্রনীল?
-
২৫ হাজার ‘ঘুষে’র দাবি, না পেয়ে নাবালিকার জোড়া লাগা পা ভাঙলেন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক!
-
তৃণমূলের ভাঙনে মোদির স্বপ্নপূরণ! ২৯-এর আগেই আসন পুনর্বিন্যাস কার্যকরে আসরে কেন্দ্র