Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Kolkata

ফোর্ট উইলিয়াম থেকে গার্ডেনরিচ! কী ছক ছিল আইএসআইয়ের? রানার সঙ্গী সানি দিল বিস্ফোরক তথ্য

আরও বিস্তারিত জানতে দফায় দফায় রানাকে জেরা শুরু করেছে পুলিশ।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৬:১৯

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১৬:১৯

options
link
ফোর্ট উইলিয়াম থেকে গার্ডেনরিচ! কী ছক ছিল আইএসআইয়ের? রানার সঙ্গী সানি দিল বিস্ফোরক তথ্য zoom
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

উত্তর থেকে দক্ষিণ, গত কয়েকদিনে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে একের পর এক সন্দেহভাজন পাক আইএসআই এজেন্ট। বিশেষ করে হাবড়ায় ধৃত পাকিস্তানি নাগরিক রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। আর সেই সূত্র ধরেই তদন্তের জাল ছড়াচ্ছে এসটিএফ। এরই মধ্যে আজ, বুধবার হুগলির রিষড়া এলাকা থেকে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম জাফর শামস ওরফে সানি। জানা গিয়েছে, ধৃত রানার সঙ্গে সানির যোগাযোগ ছিল। সেনা সদর দপ্তর ফোর্ট উইলিয়ম থেকে গার্ডেনরিচ, একের পর এক স্পর্শকাতর এলাকায় গোপন তথ্য সংগ্রহে রানার সঙ্গে সানি কাজ করত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। যদিও এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে দফায় দফায় রানাকে জেরা শুরু করেছে পুলিশ।

জানা যায়, পাকিস্তানি এই নাগরিক বিশেষ কিছু কাজের বরাত নিয়ে ভারতে এসেছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল ভারতীয় সেনা এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা।

গত কয়েকদিনে দিনহাটা-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন পাকচরকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। জানা যায়, সেই সূত্রেই রানার নাম তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসে। কিন্তু বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়া থেকে পাকচর রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, পাকিস্তানি এই নাগরিক বিশেষ কিছু কাজের বরাত নিয়ে ভারতে এসেছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল ভারতীয় সেনা এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা। এমনকী কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ামও রানার নজরদারির আওতায় ছিল বলে জানা যায়। আর এই ‘অপারেশন’ সফল করতে একটা ‘স্লিপার সেল’ নেটওয়ার্ক রানা বাংলা জুড়ে তৈরি করেছিল বলে খবর।

Advertisement

তদন্তকারীদের মতে, এই নেটওয়ার্কের একজন ধৃত জাফর শামস ওরফে সানি। শুধু তাই নয়, এই সেলটির মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য গোপনে দেশের বাইরে পাচার করা। ধৃত সানিকে জেরা করে ইতিমধ্যে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন আধিকারিকরা। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, রানার সঙ্গে সানিও ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ড অর্থাৎ ফোর্ট উইলিয়ম, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) গতিবিধি এবং ভারতীয় রেলওয়ের পরিকাঠামো সংক্রান্ত কৌশলগত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছিল। এমনকী এই তালিকায় ছিল গার্ডেনরিচও। গত কয়েকমাসে এই গার্ডেনরিচ থেকে একাধিক যুদ্ধ জাহাজ জলে ভেসেছে। সেই সমস্ত তথ্য রানা কিংবা সানির মাধ্যমে কি পাচার হয়েছে বাংলাদেশে? সেটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, স্পর্শকাতর ‘চিকেনস নেকে’র কোনও তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হাতে গিয়েছে কিনা সেটাও তদন্তের রাডারে রয়েছে বলে খবর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.