Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
NSG at Kalighat Temple

জঙ্গি হামলা রুখতে কালীঘাটে বিশেষ নজর, এবার শক্তিপীঠ ঘিরে ফেলল এনএসজি!

শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তার বেষ্টনী আটসাঁট করতে তৎপর প্রশাসন।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৬:১৩

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১৬:১৩

options
link
জঙ্গি হামলা রুখতে কালীঘাটে বিশেষ নজর, এবার শক্তিপীঠ ঘিরে ফেলল এনএসজি! zoom
কালীঘাট মন্দির চত্বরে এনএসজি-র মহড়া। ছবি: অরিজিৎ সাহা।
Advertisement

কলকাতার অন্যতম দর্শনীয় স্থানের মধ্যে অন্যতম কালীঘাট মন্দির (Kalighat Temple)। প্রতিনিয়ত হাজারে হাজারে ভক্তের সমাগম হয় কালীক্ষেত্রে। বিশেষ কোনও দিনে তো ঢল নামে মানুষের। শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তার বেষ্টনী আটসাঁট করতে তৎপর প্রশাসন। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠনের পর এবার কালীঘাট মন্দিরে শুরু হল এনএসজি-র (NSG) মহড়া। সপ্তাহের শুরুর দিনেই কালীঘাট মন্দির ঘিরে ফেলল এনএসজি আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ, কলকাতা কমান্ডো ইউনিটও।

এনএসজি সদর দপ্তরের নির্দেশানুসারে, ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট, তিনদিন ধরে কালীঘাট মন্দির চত্বরে এই বিশেষ নজরদারি বা রেইকি পরিচালনা করা হবে। এদিন কালীঘাট মন্দিরে এনএসজির গ্রুপে ছিলেন একজন ইউনিট অফিসার, দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার এবং ১০জন কমান্ডো।

সোমবার ১৩ সদস্যের একটি এনএসজি দল ও কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল পৌঁছে যায় কালীঘাট চত্বরে। থার্মাল স্ক্যানার সিস্টেম বসিয়ে দিয়ে থ্রিডি ছবি তোলা হয় বলে জানা গিয়েছে। এনএসজি সদর দপ্তরের নির্দেশানুসারে, ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট, তিনদিন ধরে কালীঘাট মন্দির চত্বরে এই বিশেষ নজরদারি বা রেইকি পরিচালনা করা হবে। এদিন কালীঘাট মন্দিরে এনএসজির গ্রুপে ছিলেন একজন ইউনিট অফিসার, দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার এবং ১০জন কমান্ডো। মহড়া পদ্ধতি অংশ নিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশ, এসটিএফ, কলকাতা কমান্ডো ইউনিটও। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের কী কী ব্যবস্থাপনা রয়েছে, সে সম্পর্কেও এদিন জানতে চাওয়া হয় মন্দির কমিটির কাছ থেকে।

Advertisement
কালীঘাট মন্দিরে এনএসজি-র সঙ্গে কলকাতা পুলিশ। ছবি: অরিজিৎ সাহা।

বদলের বাংলায় কালীঘাট মন্দিরের সুরক্ষায় বেনজির পদক্ষেপ নিতে দেখা গিয়েছিল কলকাতা পুলিশকে। শুধু মন্দির চত্বর এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই প্রথম কোনও ধর্মীয় স্থানের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে লালবাজারের তরফে। কলকাতা পুলিশের দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং মন্দিরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কথা মাথায় রেখে পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া মন্দির চত্বরে নাশকতা এবং জঙ্গি হামলার আশঙ্কার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল লালবাজারের বিবৃতি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.