মাথার উপর ঝুলছে ৩৭ টি মামলা। গুলিচালনা, অস্ত্র হাতে এলাকায় দাপাদাপি, ভীতি প্রদর্শন – কী অভিযোগ না ছিল তার বিরুদ্ধে। পুলিশের চোখে বারবার ধুলো দিয়ে পালিয়েছে। রাজ্যে পালাবদলের পর সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কড়া হওয়ার পরই পুলিশের জালে গুলশন কলোনির কুখ্যাত ‘মিনি ফিরোজ’ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার সাগরেদ মহম্মদ সাজিদ। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে গুন্ডাদমন শাখার আধিকারিকরা তাদের গ্রেপ্তার করে। তপসিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
বছর দশেক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনির কার্যত ত্রাস হয়ে উঠেছিল মিনি ফিরোজ ওরফে ফিরোজ খান। গত বছর এখানে গুলিচালনার মতো ঘটনা থেকে পুলিশের স্ক্যানারে ছিল সে। অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়। সেবার দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জামিনে ছাড়া পায়। তারপরও তার দাপট ছিল অব্যাহত। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে মিনি ফিরোজের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
বছর দশেক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনির কার্যত ত্রাস হয়ে উঠেছিল মিনি ফিরোজ ওরফে ফিরোজ খান। গত বছর এখানে গুলিচালনার মতো ঘটনা থেকে পুলিশের স্ক্যানারে ছিল সে। অস্ত্র আইন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়। সেবার দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জামিনে ছাড়া পায়। তারপরও তার দাপট ছিল অব্যাহত। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে মিনি ফিরোজের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। একা ফিরোজ নয়, দলবল নিয়েই সে দাপট চালাত বলে অভিযোগ। তাতে ছিল সাজিদ, মুস্তাফা নামে অনেকে। কিন্তু সকলেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এতদিন।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সমাজবিরোধীদের গারদে ভরতে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। সেইমতো দিকে দিকে অপারেশন চলছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গুন্ডাদমন শাখার আধিকারিকরা ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে গুলশন কলোনির মিনি ফিরোজ ও তার সাগরেদ সাজিদকে। তাদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় বেশ কিছু মামলা ছিল। তার ভিত্তিতেই এই গ্রেপ্তারি। দু’জনকে তুলে দেওয়া হয়েছে তপসিয়া থানার হাতে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ইরান যুদ্ধে শহিদ কতজন মার্কিন সেনা? অবশেষে হিসেব দিল পেন্টাগন
-
কলঙ্ক বয়ে বেড়িয়েছেন ২২ বছর! গিয়েছে চাকরিও, অবশেষে শাপমুক্তি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারের
-
সরকারি হাসপাতালের ১০০ গজের মধ্যে ধূমপান? সাবধান, গুনতে হবে মোটা জরিমানা
-
রাখি-ভাইফোঁটায় ভাইয়ের মিষ্টিমুখ হবে তো? চিনির অগ্নিমূল্যে বাড়ছে চিন্তা, মহার্ঘ আর কী কী?
-
রক্তের খোঁজে দিশেহারা রোগী! মুমূর্ষুকে রক্তের হদিশ দিতে হবে ব্লাড ব্যাঙ্ককেই