বাংলায় প্রচারে এসে একাধিকবার ‘চিকেনস নেকে’র সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনকী স্পর্শকাতর এই এলাকাকে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এই বিষয়ে সরাসরি তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণও শানান প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যে পালাবদল হতেই এবার শিলিগুড়ি করিডর অর্থাৎ চিকেনস নেকের সুরক্ষায় জোর বিজেপি সরকারের। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) স্পষ্ট জানান, চিকেনস নেকের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে এবার ঢেলে সাজানো হবে। কোথাও কোনও খামতি রাখা হবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
চিকেনস নেক ঘিরে রয়েছে নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও চিন। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এলাকাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ভারতকে দুর্বল করতে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের টার্গেট এই শিলিগুড়ি করিডর। শুধু তাই নয়, এই শিলিগুড়ি করিডরের খুব কাছেই বাংলাদেশে বিশেষ ঘাঁটি তৈরি করছে চিন। এই অবস্থায় এই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ ভারত! ইতিমধ্যেই ‘শিলিগুড়ি করিডরে’র নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই এলাকাকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অনেকক্ষেত্রেই সমস্যার মুখে পড়তে হয়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ সামনে এসেছে। বিশেষ করে একটা বড় এলাকাজুড়ে ফেন্সিং না থাকায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় বাহিনীকে।
এই প্রসঙ্গে এদিন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ করে কেন্দ্রকে দেওয়া হবে। যত দ্রুত সম্ভব বেড়াহীন এলাকায় ফেন্সিং দেওয়া হবে। যা দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে। শুধু তাই নয়, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী বলেন, ”এবারের নির্বাচন ছিল ভারতের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করার। ভারতের ডেমোগ্রাফি যেভাবে চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছিল, তা রক্ষা করার লড়াই ছিল। মানুষ যাতে সুরক্ষিত থাকে সেজন্য সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার এলাকায় ফেন্সিং দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। মানুষ জাগ্রত হয়েছেন। সঠিক কারণ বুঝতে পেরেছেন।”
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ করে কেন্দ্রকে দেওয়া হবে। যত দ্রুত সম্ভব বেড়াহীন এলাকায় ফেন্সিং দেওয়া হবে। যা দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে।
নিশীথের কথায়, ২০১৪ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের পার্বত্য এলাকায় রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ছিল ২০ লাখ ছিল, সেখানে এখন সংখ্যা মাত্র এক লক্ষ। মানুষ বুঝতে পেরেছেন তাঁরা চিন, জাপান চলে যায়নি। এরা কাঁটাতার বিহীন এলাকা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে সারা ভারতবর্ষের ডেমোগ্রাফিকে চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ নিশীথর। তিনি বলেন, ‘বিজেপিকে দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করে মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে, বিজেপি চায়, দেশের নিরাপত্তা মজবুত হোক চায়। এবার আমাদের পালা দেশকে সুরক্ষিত করার।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আরও নজরদারি! প্রতিটি ডিভিশনে ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো করছে লালবাজার
-
১৯৫৫ সালে রাজনৈতিক জীবন শুরু! ৯৩ বছরেও রোজ পঞ্চায়েতে যান অনিলকুমার
-
জেন জির হঠকারী যৌন জীবন! বঙ্গে বাড়ছে এডস
-
দেড় দশকের রুগ্ন পুরুলিয়ার লাক্ষা শিল্পে জোয়ার, জিআই স্বীকৃতির পরই খুলছে আন্তর্জাতিক বাজার
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা



