ঘিঞ্জি এলাকায় হেলাফেলাভাবে গড়ে ওঠা হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের (New Market Hotel Fire) জেরে প্রাণ গিয়েছে ৯ জনের। এর মধ্যে আটজনই বাংলাদেশি। নিউ মার্কেট লাগোয়া মির্জা গালিব স্ট্রিটে জতুগৃহ হয়ে ওঠা ‘শিখা ইন’ নামের ওই গেস্ট হাউসের আগুন শহরের হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে নড়েচড়ে বসেছে দমকল বিভাগ। মির্জা গালিব স্ট্রিটের মোট ৯টি গেস্ট হাউস ও চারটি রেস্তরাঁ কাম পানশালাকে শোকজ নোটিস পাঠানো হল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের শোকজের জবাব দিতে হবে। সেই জবাব সন্তোষজনক না হলে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, বুধবারের অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের ২ জনের দেহ আজ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। মৃত মহিলা ও পুরুষ বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
জানা যাচ্ছে, ৩৭ এ অর্থাৎ দমকল আইনের নির্দিষ্ট ধারায় ওই ৯ টি গেস্ট হাউস ও চারটি রেস্তরাঁকে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাতে মূলত জানতে চাওয়া হয়েছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে। কোথাকার অগ্নিনির্বাপণ সুরক্ষা কেমন, তা বিশদে জানাতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। তা সন্তোষজনক না মনে হলে দমকল বিভাগ হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দিতে পারে বলে সূত্রের খবর।
জানা যাচ্ছে, ৩৭ এ অর্থাৎ দমকল আইনের নির্দিষ্ট ধারায় ওই ৯ টি গেস্ট হাউস ও চারটি রেস্তরাঁকে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাতে মূলত জানতে চাওয়া হয়েছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে। কোথাকার অগ্নিনির্বাপণ সুরক্ষা কেমন, তা বিশদে জানাতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। তা সন্তোষজনক না মনে হলে দমকল বিভাগ হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি তৎক্ষণাৎ বন্ধ করে দিতে পারে বলে সূত্রের খবর। বুধবার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ হোটেলে এত বড় অগ্নিকাণ্ডের পর দেখা গিয়েছে, আগুন থেকে বাঁচতে কোনও ব্যবস্থাই কার্যত ছিল না সেখানে। এমনকী গেস্ট হাউসটির পিছনে ‘এমারজেন্সি এক্সিট’ও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাঁচিল তুলে। যার জন্য আগুন লাগার পর হোটেল থেকে বেরিয়ে যেতে না পেরে ৯ জনকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হলো।
বৃহস্পতিবার আরও ২ জনের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃত্যু হয়েছে সাতক্ষীরা বাসিন্দা রেবতী সরকার ও এসএম আলিমুজ্জামানের। এদিন বাংলাদেশ হাই কমিশনে জমা থাকা নথির সঙ্গে হোটেলের নথি, পাসপোর্ট নম্বর মিলিয়ে দেখে মৃতদের পরিচয় জানা গিয়েছে।
‘শিখা ইনে’ মৃতদের বেশিরভাগ মানুষকে বুধবার চিহ্নিত করা হয়েছিল। ছিলেন সপরিবারে বাংলাদেশি সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার। বৃহস্পতিবার আরও ২ জনের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মৃত্যু হয়েছে সাতক্ষীরা বাসিন্দা রেবতী সরকার ও এসএম আলিমুজ্জামানের। এদিন বাংলাদেশ হাই কমিশনে জমা থাকা নথির সঙ্গে হোটেলের নথি, পাসপোর্ট নম্বর মিলিয়ে দেখে মৃতদের পরিচয় জানা গিয়েছে। আলিমুজ্জামানের ভাগ্নি জানিয়েছেন, তাঁর মামা ব্যবসায়ী, চিকিৎসার জন্য কলকাতায় এসে নিউ মার্কেটের ওই হোটেলে উঠেছিলেন। বুধবার সকালে হোটেলে আগুনের খবর পেয়ে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মামারও মৃত্যু হয়েছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
কুমোরটুলিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের রূপরেখা! ‘মাস্টারপ্ল্যান’ তৈরির উদ্যোগ রাজ্যের
-
জাতীয় পশুর শিকার জাতীয় পাখি! মহারাষ্ট্রের জঙ্গলে লেন্সবন্দি বিরল দৃশ্য
-
‘ব্ল্যাক হোল তারকা’ রহস্যভেদে ভারতীয় তরুণ! কী এই মহাজাগতিক বস্তু?
-
দুই সন্তানে সারাক্ষণ মারপিট, অভিভাবকের ভুলেই নয় তো? ৬টি বিষয় মাথায় রাখলে থাকবে সুসম্পর্ক
-
ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস চিনের, ‘চিকেনস নেক’ সুরক্ষায় কী বললেন শাহ?


