Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Cyber Fraud in Kolkata

হোয়াটসঅ্যাপ ডিপি ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণার নয়া ফাঁদ, নিমেষে গায়েব লাখ লাখ টাকা

শেক্সপিয়র সরণি থানা জালিয়াতির মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ১৫:১৩

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬, ১৫:১৩

options
link
হোয়াটসঅ্যাপ ডিপি ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণার নয়া ফাঁদ, নিমেষে গায়েব লাখ লাখ টাকা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

হোয়াটসঅ‌্যাপের ডিপিতে ভুয়া ছবি। তারই মাধ‌্যমে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল সাইবার জালিয়াত (Cyber Fraud)। এই ব্যাপারে সম্প্রতি রাজ্য ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর কাছে অভিযোগ জানান এক ব‌্যবসায়ী। এসসিআরবি-র পক্ষ থেকেই এই ব্যাপারে শেক্সপিয়র সরণি থানায় ই জিরো এফআইআর করা হয়। তারই ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি থানা জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছে। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত। কীভাবে ভুয়ো ডিপি ব্যবহার করে পুরো কেলেঙ্কারি করা হয়েছে। 

এরপরেই ওই অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রথমে ব্যাপারটা বুঝতে না পারলেও, পরে ওই কর্মী বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, আনন্দপুরের একটি অভিজাত আবাসনের বাসিন্দা এক ব্যবসায়ীর অফিস রয়েছে শেক্সপিয়র সরণিতে। তাঁর অভিযোগ, সাইবার জালিয়াতরা একটি নতুন নম্বর থেকে তাঁদেরই অফিসের এক কর্মচারীকে হোয়াটস অ‌্যাপে মেসেজ পাঠায়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই হোয়াটস অ‌্যাপে অ্যাকাউন্টে ছিল ওই ব্যবসায়ীর ছবি। ফলত আসল-নকলের তফাৎ বুঝতে পারেননি ওই কর্মী। এর ফলে ওই কর্মচারী জালিয়াতদের পাঠানো হোয়াটস অ‌্যাপের মেসেজটিকেই তাঁর মালিকের মেসেজ বলে মনে করেন। এমনকী তা সহজে বিশ্বাসও করে নেন! ফলে জালিয়াতরা ওই ব্যক্তিকে তাঁদের সংস্থার বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৮ লাখ টাকা একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে পাঠাতে বলেন। ওই কর্মীকে জানানো হয়, ওই টাকা পাঠানোর বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। কর্মচারী মালিকের মেসেজ মনে করেই সংস্থার অ্যাকাউন্ট থেকে ১৮ লাখ টাকা পাঠিয়ে দেয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপরেই ওই অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রথমে ব্যাপারটা বুঝতে না পারলেও, পরে ওই কর্মী বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার স্বীকার হয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তাঁর মালিককে জানান। শুধু তাই নয়, অভিযোগ জানানো হয় রাজ্য ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর কাছেও। পরে বিষয়টি শেক্সপিয়র সরণি থানার কাছে আসে। শুরু হয় তদন্ত। তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই টাকা কেরলের কোচিনের একটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই ব্যাঙ্কের সঙ্গে তদন্তকারী আধিকারিকরা যোগাযোগ করছেন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, জালিয়াতদের শনাক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.