বাংলায় চলা এসআইআর (SIR in West Bengal) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যেই এই নিয়ে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। এসআইআর প্রক্রিয়ার যৌক্তিকতা এবং রিভিশনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারণ দেখানো হয়নি। এই অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টে হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে এই বিষয়ে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আবেদনকারী আইনজীবী। এরপরেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদাওত সূত্রে খবর, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে চলেছে।
এসআইআর (SIR in West Bengal) নিয়ে মানুষের হয়রানির শেষ নয়। ছোট বিষয়েও এসআইআর শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে একাধিক চিঠিও দিয়েছেন প্রশাসনিক প্রধান। মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে কমিশনকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি’র তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয় আদালত। এছাড়াও একাধিক নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর মধ্যে ফের এসআইআর ইস্যুতে নতুন মামলা দায়ের কলকাতা হাইকোর্টে।
আরও পড়ুন:
হাই কোর্টে মামলাকারীর আবেদন, কেন স্পেশাল এই রিভিশন হচ্ছে, তার কোনও ব্যাখ্যা নেই। এই রিভিশন করতে হলে নির্দিষ্ট কারণ দর্শাতে হয়। সেই তথ্য বা নথি কোথায়? এমনকী কোনও নথি এতদিনেও কোথাও প্রকাশ করা হয়নি বলেও অভিযোগ মামলাকারীর। এই বিষয়ে তিনি আবেদনে আরও জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই ইস্যুতে আবেদন করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথ্য জানার অধিকার আইনে এই তথ্য সমস্ত নির্বাচন কমিশনকে সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এরপরেও কোনও বা নথি দেওয়া হয়নি বলে দাবি আবেদনকারীর। এরপরেই এই বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আবেদনকারী। এরপরেই মামলা দায়ের করার অনুমতি মিললে মামলা দায়ের হয়। এখন দেখার মামলার গতিপ্রকৃতি কোন দিকে মোড় নেয়।
সর্বশেষ খবর
-
‘সজলের পুজোয় ঢাক বাজানো-ধুনুচি নাচের নিয়ম জানুন’, সুদীপার নিশানায় ‘মুখোশধারী’ টলিউড
-
পুলিশের নজর এড়াতে শাড়ির আড়ালে লুকিয়ে তৃণমূল কর্মী! শেষমেশ কী হল?
-
এবার তৃণমূলে ভবনেও পচা ডিমের আশঙ্কা? কাউন্সিলরদের বৈঠক বাতিল মমতার
-
ফের রক্তাক্ত নানুর! দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে চলল গুলি, মৃত ১, গ্রামে মোতায়েন পুলিশ
-
‘ভয়ংকর রকম কমে গিয়েছে’, ভারতের জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ মাস্কের