Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
হিমালয়ে হাহাকার
Nepal Flood

শাপে বর! ভিসা বাতিল হওয়ায় নেপাল বিপর্যয় থেকে প্রাণে বাঁচলেন বাঙালি প্রৌঢ়া

কৈলাস, মানস সরোবর যাত্রার পরিকল্পনা করলেও শেষ মুহূর্তে তা বদলে লাদাখ যান তপতী সিংহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৮:২৩

options
link
শাপে বর! ভিসা বাতিল হওয়ায় নেপাল বিপর্যয় থেকে প্রাণে বাঁচলেন বাঙালি প্রৌঢ়া zoom
নেপালের বিপর্যয় থেকে বরাতজোরে প্রাণে বাঁচলেন কলকাতার প্রৌঢ়া ছবি: সংগৃহীত

একেই বলে রাখে হরি, মারে কে? যাওয়ার কথা ছিল কৈলাস, মানস সরোবর যাত্রায়। কিন্তু ভিসা মঞ্জুর হয়নি। তাই বাতিল হয় ‘প্ল্যান’। আর সেই ‘প্রত্যাখ্যান’ই আখেরে বাঁচিয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা, বছর একষট্টির তপতী সিংহর প্রাণ। যদি তা না হত, যদি তপতী শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনামাফিক মানস সরোবর যাত্রায় বেরিয়ে পড়তেন, তা হলে হয়তো তাঁর পরিণতিও হত সেই ৩২ জনের মতো, নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা-ধসের (Nepal Flood) ঘটনার পর থেকে যাঁদের আর কোনও খোঁজ নেই।

তপতী-সহ বাংলার ৩৩ জনের একটি দল কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার পরিকল্পনা করেছিলেন। কলকাতার একটি ট্র্যাভেল সংস্থার মাধ্যমে মে মাস থেকেই চলছিল প্রস্তুতি। কিন্তু যাত্রার মাত্র দিনকয়েক আগে তপতীকে জানানো হয়, তাঁর চিনের ভিসা মঞ্জুর হয়নি। কোনও কারণও দর্শানো হয়নি। হতাশ হয়ে যাত্রার পরিকল্পনা-সূচি বদল করে ফেলেন তপতী। সোজা রওনা দেন লাদাখের উদ্দেশে।

ঠিক কী ঘটেছিল? তপতী-সহ বাংলার ৩৩ জনের একটি দল কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার পরিকল্পনা করেছিলেন। কলকাতার একটি ট্র্যাভেল সংস্থার মাধ্যমে মে মাস থেকেই চলছিল প্রস্তুতি। কিন্তু যাত্রার মাত্র দিনকয়েক আগে তপতীকে জানানো হয়, তাঁর চিনের ভিসা মঞ্জুর হয়নি। কোনও কারণও দর্শানো হয়নি। হতাশ হয়ে যাত্রার পরিকল্পনা-সূচি বদল করে ফেলেন তপতী। সোজা রওনা দেন লাদাখের উদ্দেশে।

Advertisement

ঠিক এই সময়ই তাঁর কানে আসে নেপালের বিপর্যয়ের বৃত্তান্ত। যে দলের সঙ্গে তপতীর কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় শামিল হওয়ার কথা ছিল, তাঁদের কারও সঙ্গেই এখনও যোগাযোগ করতে পারেননি তপতী। নেপালে থাকা সংশ্লিষ্ট ট্র্যাভেল সংস্থার সহযোগী সংস্থাও, পর্যটকদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ এখনও করে উঠতে পারেনি বলেই খবর। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে পৌঁছে সন্ধ্যায় তপতীদেবী পা রেখেছেন কলকাতায়। সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভিসা বাতিল হওয়ার পর ভেঙে পড়েছিলেন। হতাশাও গ্রাস করেছিল। কিন্তু পরে বুঝেছেন, কখনও কখনও যা হয়, তাতে আপাতত মনখারাপ হলেও, তা ভালোর জন্যই হয়। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.