Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
হিমালয়ে হাহাকার
Nepal Flood

হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালে আটকে মুকুলের পুত্রবধূ, যোগাযোগ করা যাচ্ছে না! ঘুম উড়েছে শুভ্রাংশুর

Nepal Flash Flood: শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আটকে পড়েছেন কলকাতারই ৩২ জন্য।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৪:৩০

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১৪:৩০

options
link
হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপালে আটকে মুকুলের পুত্রবধূ, যোগাযোগ করা যাচ্ছে না! ঘুম উড়েছে শুভ্রাংশুর zoom
বিধ্বস্ত নেপালে আটকে শুভ্রাংশুর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়।

হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপাল (Nepal Flash Flood)। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যু হয়েছে ১৬২ জনের। আটকে পড়েছেন কলকাতারই ৩২ জন্য। সেই তালিকায় রয়েছে প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের একমাত্র পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ বুধবার থেকে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে পরিবারের। 

২১ আগস্ট হাওড়া থেকে একটি ভ্রমন সংস্থার সঙ্গে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশুর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা। পৌঁছে একাধিকবার স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে শেষবার স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় শুভ্রাংশুর। বুধবার সকাল থেকেই ক্রমশ পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে নেপালের। খবর পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন শুভ্রাংশু। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।

শুভ্রাংশুর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। নিজস্ব ছবি

জানা গিয়েছে, গত ২১ আগস্ট হাওড়া থেকে একটি ভ্রমন সংস্থার সঙ্গে নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশুর স্ত্রী শর্মিষ্ঠা। পৌঁছে একাধিকবার স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে শেষবার স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় শুভ্রাংশুর। বুধবার সকাল থেকেই ক্রমশ পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে নেপালের। খবর পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন শুভ্রাংশু। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। ফলে এই মুহূর্তে কী পরিস্থিতিতে রয়েছেন শর্মিষ্ঠা তা জানা নেই কারও। দুশ্চিন্তা, আতঙ্ক গ্রাস করেছে গোটা পরিবারকে। 

Advertisement

উল্লেখ্য, বুধবার সকাল থেকেই আচমকা নেপালে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপরই চিন সীমান্তবর্তী ল রসুয়া জেলায় হড়পা বান নামে। আকস্মিক বন্যার জেরে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চলে ওই জেলায়। চিনের সংবাদ সংস্থা ‘সিনহুয়া’র খবর অনুযায়ী, হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিব্বতের গাইরং প্রদেশ-সহ বহু এলাকা। সেখানেও হতাহতের সংখ্যা বহু। হড়পা বানের কারণ নিয়ে নানা মত উঠে আসছে। নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগ জানিয়েছে, রসুয়ায় ভারী বৃষ্টির জেরে এই বিপর্যয় ঘটেছে, এমন সম্ভাবনা কম। ফলে তিব্বত থেকে জল নেমে আসার বিষয়টিই প্রকট। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, নেপাল বিপর্যয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬২ জনের। আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে ৩২ জন কলকাতার। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.