সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত নকশাল আন্দোলনের অন্যতম মুখ আজিজুল হক। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। ভর্তি ছিলেন সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সোমবার দুপুর ২ টো বেজে ২৮ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। এক্স হ্য়ান্ডেলে শোকজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িতে পড়ে গিয়েছিলেন বামপন্থী চিন্তক, প্রাবন্ধিক, কবি আজিজুল হক। তাতেই হাত ভেঙে যায়। সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী এদিন এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘প্রবীণ রাজনীতিক আজিজুল হক’এর প্রয়াণে আমি গভীর শোক জ্ঞাপন করছি। আজিজুল হক একজন লড়াকু, সংগ্রামী নেতা ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনও মাথা নত করেননি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সহযোগীদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই।’
প্রবীণ রাজনীতিক আজিজুল হক’এর প্রয়াণে আমি গভীর শোক জ্ঞাপন করছি।
আজিজুল হক একজন লড়াকু, সংগ্রামী নেতা ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনো মাথা নত করেননি।
তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও সহযোগীদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই।
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 21, 2025
ভারতের নকশাল আন্দোলেনর অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন আজিজুল হক। চারু মজুমদারের মৃত্যুর পরে দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পান তিনি। রাজনীতি করতে গিয়ে জীবনের একটা বড় সময় জেলবন্দি ছিলেন। জেলে বসেই লিখেছিলেন ‘কারাগারের ১৮ বছর।’ বন্দিদশায় তাঁর উপর হওয়া অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরেছিলেন সেই বইতে। দ্বিতীয়বার গ্রেপ্তারির পর শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন আজিজুল হক। এরপর বামনেতাদের তরফে তাঁকে প্য়ারোলে মুক্তি দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল।