ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিবসেই বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের। বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালের নাম বদলের সিদ্ধান্ত। নতুন নাম হল ডা.বিধানচন্দ্র রায় মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল। চিকিৎসক দিবসে হাসপাতালের নতুন নামকরণের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি চিকিৎসক দিবসে আরও এক বিরাট পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পরিষেবায় এবার চালু করা হল ‘জননী’ পোর্টাল। সঠিক সময়ে সঠিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্যই এই পোর্টাল চালু করা হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালগুলিতে নজরদারির জন্য এদিন স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুম উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যে ‘প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা’প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হল মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলির হাল-হকিকত নজরে রাখবেন স্বাস্থ্য কর্তারা। স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নতুন ‘জননী’ পোর্টাল চালু করা হল। উদ্বোধন করা হয়েছে ২০০ সরকারি অ্যাম্বুল্যান্সও।
চিকিৎসক দিবসে এদিন একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে বিধাননগরে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরুতেই ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের বিশালাকার মূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে শ্রদ্ধার্ঘ জানিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। সঙ্গে ছিলেন পুর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বিধাননগর থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কার্যত নতুন জোয়ারের ঢেউ তুলে দিলেন বাংলার ডবল ইঞ্জিন সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে ‘প্রধানমন্ত্রী মাতৃ বন্দনা যোজনা’প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হল মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে।
সূত্রের খবর, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে যে দীর্ঘদিনের অভাব-অভিযোগ রয়েছে সাধারণ মানুষের, সেই ধারাবাহিকতায় ইতি টানতেই এবার রাজ্য সরকারের তরফে চালু করা হল কন্ট্রোল রুম। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকেই রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালগুলির হাল-হকিকত নজরে রাখবেন স্বাস্থ্য কর্তারা। নদিয়া জেলার ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসের উদ্বোধন করা হল এদিন। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ব্রাকি থেরাপি পরিষেবার উদ্বোধনও হয় এদিন রাজ্য সরকারের উদ্যোগে।

উল্লেখযোগ্যভাবে এদিন স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নতুন ‘জননী’ পোর্টাল চালু করা হল। মা ও শিশুর সঠিক সময়ে সঠিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করার জন্য জননী পোর্টাল চালু করা হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। সরকারি হাসপাতালগুলিতে নবজাতক ও প্রসূতি মায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি এদিন উদ্বোধন করা হয়েছে ২০০ অ্যাম্বুল্যান্সও। মুখ্যমন্ত্রী এদিন নি-ক্ষয়মিত্র অর্থাৎ কেন্দ্রীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণের জাতীয় কর্মসূচির সার্টিফিকেট তুলে দেন বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি ও পিযুষ কানুরিয়ার হাতে।

স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্যের যাবতীয় কর্মসূচিগুলি ভল্টের মতো এক জায়গায় সংরক্ষণ ও ব্যবহারের জন্য রাখতে নয়া অভিন্ন ‘স্বাস্থ্য ভারত’ পোর্টাল চালু করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ধাপে ধাপে সেখানে আনুমানিক ২২টি স্বাস্থ্যপ্রকল্প থাকবে। পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসূচক, পরিসংখ্যান, জরুরি তথ্য—যাবতীয় সুবিধা মিলবে এই ভল্ট থেকেই। এখনো পর্যন্ত এই পোর্টালে রয়েছে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যপ্রকল্প, সেগুলি হল—জননী, এনসিডি বা নন কমিউনিকেবল ডিজিজ, ইউ-উইন বা টিকাকরণ, নি-ক্ষয় , এসডিডি এবং প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল ডায়ালিসিস প্রোগ্রাম।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে লজ্জার হারের পর জার্মানির কোচ হচ্ছেন ক্লপ? মুখ খুললেন লিভারপুলের প্রাক্তন ‘বস’
-
প্রতারণার পর্দাফাঁস করতে এবার প্রতি থানায় সাইবার ডেস্ক, নির্দেশ লালবাজারের
-
জানালা দিয়ে উড়ে আসা ডিমে ভিজল শাড়ি, কালীগঞ্জে এবার হামলার শিকার মহুয়া!
-
বারবার পশ্চাৎদেশে ক্যামেরা তাক! পাপারাজ্জিদের ‘কান মুলে’ সভ্যতার পাঠ নেহা ধুপিয়ার
-
‘চোরে চোরে ভায়রাভাই’, কুম্ভমেলার সময় সর্বাধিক চুরি রাম মন্দিরে! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য