মলয় কুণ্ডু: বর্ষায় বিপর্যয় ঠেকাতে সরকারি স্তরে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে? সেই মর্মে প্রাথমিকভাবে আলোচনা সেরে নিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তরগুলির মধ্যে আরও বেশি করে সমন্বয় করতে হবে। যাতে দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া যায়। শুক্রবার নবান্নে সার্বিক পরিস্থিতি তথা দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই বার্তা তুলে ধরলেন মুখ্যসচিব। নবান্ন সূত্রে খবর, বৈঠকে সেচ দপ্তরকে ডিভিসি-র সঙ্গে সমন্বয় রাখতে বলা হয়েছে।
বর্ষার মরশুমে বারবারই অভিযোগ ওঠে, রাজ্যকে না জানিয়ে ডিভিসি বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছেড়ে দিচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা বানভাসি হয়ে জনজীবনে বাড়তি বিপর্যয় নেমে আসে। এবছর যাতে আর তা না হয়, তার জন্য আগাম ব্যবস্থা নিতে হবে বলে নির্দেশ নবান্নের। আবহাওয়া দপ্তরের কর্তারা শুক্রবারের বৈঠকে জানান, বর্ষা স্বাভাবিক সময়েই রাজ্যে ঢুকবে। তা জেনে সেচ দপ্তরকে মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছেন, বর্ষা আসার আগেই বাঁধগুলির জরুরি ভিত্তিতে মেরামতির কাজ সেরে ফেলতে হবে। একইসঙ্গে নজর রাখতে হবে, বোরো চাষের ক্ষেত্রে যেন জলের কোনও অভাব না হয়।
এদিনের বৈঠকে ছিলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী, আবহাওয়া অফিস এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের প্রতিনিধিরা। জেলাশাসকরা ভারচুয়ালি বৈঠকে যোগ দেন। মুখ্যসচিব জেলাশাসকদের পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, আশ্রয় শিবিরগুলি দেখে সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তৈরি রাখতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। মৎস্য দপ্তরকে নির্দেশ, দুর্যোগের পূর্বাভাস পেলেই মৎস্যজীবীদের ডাঙায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। কোনও নৌকা যদি বিপদে পড়ে, দ্রুত তার অবস্থান জেনে উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে হবে। এর জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।
সর্বশেষ খবর
-
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আরও নজরদারি! প্রতিটি ডিভিশনে ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো করছে লালবাজার
-
১৯৫৫ সালে রাজনৈতিক জীবন শুরু! ৯৩ বছরেও রোজ পঞ্চায়েতে যান অনিলকুমার
-
জেন জির হঠকারী যৌন জীবন! বঙ্গে বাড়ছে এডস
-
দেড় দশকের রুগ্ন পুরুলিয়ার লাক্ষা শিল্পে জোয়ার, জিআই স্বীকৃতির পরই খুলছে আন্তর্জাতিক বাজার
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা