Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
AI

অপ্রয়োজনীয় এআই ব্যবহারে লাগাম-বার্তা, গ্রিন এআই-এর সাহায্যে দেশীয় প্রযুক্তি তৈরি করবে আইসার

এআই-এর ডেটা সেন্টার চালাতে প্রচুর জল, বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং পরিবেশ উষ্ণ হয়ে ওঠে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ০৯:১৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২৬, ০৯:১৮

options
link
অপ্রয়োজনীয় এআই ব্যবহারে লাগাম-বার্তা, গ্রিন এআই-এর সাহায্যে দেশীয় প্রযুক্তি তৈরি করবে আইসার zoom
আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক অর্ণব ভট্টাচার্য, আইসার কলকাতার অধ্যাপক কৃপাবন্ধু ঘোষ, আইআইটি খড়াপুরের অধ্যাপক সুদেষ্ণা সরকার এবং গ্রিনএআই সার্ভিসেসের ডিরেক্টর প্রসেনজিৎ মজুমদার। নিজস্ব ছবি।

কথায় কথায় সামান্য কাজ বা তথ্য জানতে চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনির মতো এআই টুলের ব্যবহার করছে সবাই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অতিরিক্ত ব্যবহার একদিকে যেমন ছোটো থেকে বড় সকলের বুদ্ধিমত্তা-কগনিটিভ স্কিল কমিয়ে দিচ্ছে, তেমনই পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আইসার কলকাতা এবং গ্রিন এআই সার্ভিসেসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনাসভায় এমনই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন দেশের বিভিন্ন আইআইটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষাবিদ, এআই গবেষক ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা।

তাঁদের দাবি, স্বল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশ বাঁচাতে হবে। কারণ এআই-এর ডেটা সেন্টার চালাতে প্রচুর জল, বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং পরিবেশ উষ্ণ হয়ে ওঠে। এদিন প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে ভারতের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার মেলবন্ধন ঘটানোর মতো দুই ভিন মেরুর বিষয়েই আলোকপাত করা হয় ‘গ্রিন এআই- সাসটেনেবল ইন্টেলিজেন্স ফর ইন্ডিয়া’ শীর্ষক আলোচনায়।

Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভাষিণী’ প্রোজেক্টের সিইও অমিতাভ নাগ বলেন, “পরিবেশকে রক্ষা করতে স্বল্প সম্পদ-নির্ভর প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর দেওয়া হোক। বাস্তবে মাত্র তিনটি জিপিইউ ব্যবহার করেই এআই-নির্ভর ভয়েস ফার্স্ট কলসেন্টার চালানো সম্ভব। খরচ সাপেক্ষ এবং প্রচুর বিদ্যুৎ ও উত্তাপ উৎপাদনকারী ডেটা সেন্টারের উপর নির্ভর করে সাধারণ লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল তৈরির চেয়ে, ভারতের উচিত নির্দিষ্ট ক্ষেত্র এবং নির্দিষ্ট ভাষার উপর ভিত্তি করে ছোট ও কার্যকরী এআই মডেল তৈরি করা।” সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন আইসার কলকাতার ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস অ্যান্ড আউটরিচ-এর ডিন প্রফেসর দেবাশিস কোলে, গ্রিন এআই সার্ভিসেস-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা এআই গবেষক প্রসেনজিৎ মজুমদার, গ্রিন এআই-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুব্রত মিত্র, আইআইটি কানপুরের অধ্যাপক অর্ণব ভট্টাচার্য, আইসার কলকাতার অধ্যাপক কৃপাবন্ধু ঘোষ, আইআইটি খড়াপুরের অধ্যাপক সুদেষ্ণা সরকার এবং গ্রিনএআই সার্ভিসেসের ডিরেক্টর প্রসেনজিৎ মজুমদার। প্রসেনজিৎ মজুমদারের বক্তব্য, “পরিবেশ বাঁচানোর লক্ষ্যে লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলের ব্যবহারে রাশ টানতে টোকেনের মতো কোনও ব্যবস্থা চালু করার নীতি গ্রহণের সময় এসেছে। পরিবেশের ক্ষতি করা বিদেশি ডেটা সেন্টারের উপর নির্ভর না করে ভারত এখন নিজেই ডোমেন-নির্ভর ও ভাষাভিত্তিক এআই মডেল তৈরির জন্য প্রস্তুত।” কেন্দ্রের এই উদ্যোগকে সফল করতে আইসার কলকাতা গ্রিন এআই-সার্ভিসেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নানা কর্মযজ্ঞে শামিল হতে চলেছে বলে জানান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর প্রফেসর এস কে খারে।

আইআইটি খড়গপুরের অধ্যাপক সুদেষন্ন সরকার প্রযুক্তি শিক্ষায় এক অভিনব এআই ফ্রেমওয়ার্কের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, “প্রযুক্তিগত শিক্ষাকে এমন একটি ইকোসিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে যা আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে থাকবে। এর ফলে আদিবাসী সম্প্রদায়ের পড়ুয়াও তার মাতৃভাষায় আধুনিক প্রযুক্তি শিখতে পারবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.